২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৫:১৮
আজ (বুধবার) অনুষ্ঠিত হচ্ছে সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থী থাকলেও অ্যাড. লুৎফুর রহমান ও ড. এনামুল হক সর্দারের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্ধিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিদ্বন্ধি এই দুই প্রার্থীসহ তিন প্রার্থীর বাড়িই ওসমানীনগর উপজেলায়। যার কারণে নির্বাচনকে ঘিরে ওসমানীনগরের সকল শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এলকাবাসীর ধারণা এই দুই প্রার্থীর যে কোন জন নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হবে।
উপজেলার তিনজন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাড়াও সাধারণ সদস্য পদে ৯ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ২ জন প্রার্থী থাকায় সর্বত্র নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শোভা পাচ্ছে প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন। নির্বাচনে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ না থাকলেও চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিসে নির্বাচনী আলোচনা প্রাধান্য পাচ্ছে। এলকাবাসীর একটাই কথা, ওসমানীনগরের ব্যক্তিই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন এবং নিজের এলাকার উন্নয়ন করবেন।
জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাড. লুৎফুর রহমান ওসমানীনগর উপজেলার পশ্চিম পৈলনপুর ইউপির বড় হাজিপুর গ্রামের বাসিন্দা। সাবেক গণপরিষদের সদস্য এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসকের দায়িত্বেও ছিলেন। দলীয় সমর্থন নিয়ে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
কানাইঘাট ইমরান আহমদ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ড. এনামুল হক সর্দার উপজেলার তাজপুর ইউপির ভাড়েরা গ্রামের বাসিন্দা। শাহজালাল সিটি কলেজসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। আ’লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন তিনি। এছাড়াও আরেক প্রতিদ্বন্ধি ফখরুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার উমরপুর ইউপির খুজগীপুর গ্রামে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইমরান রাব্বানী ও এমজি রাসুল খালেক বলেন, চারপ্রার্থীর তিনজন ওসমানীনগরের হওয়ায় এলাকায় নির্বাচনী আমেজ বেশী। ধারণা করা যাচ্ছে অ্যাড. লুৎফুর রহমান ও ড.এনামুল হক সর্দারের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্ধিতা হবে। এলাকাবাসী আশাবাদী যিনিই নির্বাচিত হবেন তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করবেন।
আপনার মন্তব্য