সিলেটটুডে ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর, ২০২০ ২০:১৮

পদ্মাসেতু নির্মাণে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের অভিনন্দন

বৃহস্পতিবার সকালে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মাসেতুর ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের ওপর ৪১তম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে স্বপ্নে পদ্মাসেতু দৃশ্যমান হয়েছে। স্বপ্নের এই পদ্মাসেতু নির্মাণ কাজের সাফল্যের জন্যে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে পাকিস্তান।

শুক্রবার ঢাকাস্থ পাকিস্তান দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এ অভিনন্দন জানানো হয়। এতে বলা হয়, 'পদ্মা সেতু নির্মাণে বাংলাদেশকে অভিনন্দন।'

বাংলাদেশের অবকাঠামোগত বৃহৎ এই স্থাপনা নিজস্ব অর্থায়নে সম্পাদিত হচ্ছে। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সেতু নির্মাণে ঋণ প্রদান থেকে বিশ্বব্যাংকসহ দাতাসংস্থাগুলো সরে যাওয়ার পর বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থব্যয়ের এই সেতু নির্মাণ সম্ভব কি না এনিয়েও প্রশ্ন ছিল। তবে সব প্রশ্ন এবং বহুবিধ বাধা উপেক্ষা করে পদ্মাসেতুর ৬.১৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয়েছে। এখন বাকি কাজগুলো সম্পাদন শেষে ২০২২ সালের মাঝামাঝি নাগাদ এই সেতু যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হতে শুরু করে পদ্মা সেতু। এর পর একে একে বসানো হয় ৪০টি স্প্যান। এতে দৃশ্যমান হয়েছে সেতুর ৬ কিলোমিটার। ৪২টি পিলারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু তৈরি হচ্ছে।

মূলসেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত