রেজুওয়ান কোরেশী, জগন্নাথপুর:

০৮ জুলাই, ২০২২ ২১:৫৪

জগন্নাথপুরে পশুহাটে শেষ সময়ে ক্রেতাদের ঢল, জমজমাট কেনাবেচা

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের ঐতিহ্যবাহী রসুলগঞ্জ বাজারে আজ শুক্রবার (৮ জুলাই) কোরবানির শেষ হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ঢল নামে। জমজমাট হয়ে উঠে ক্রয়-বিক্রয়। তবে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত ছিল।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় বাড়তে থাকে হাটে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পশুর হাটের নির্ধারিত স্থান পেরিয়ে প্রায় পুরোবাজার জুড়ে পশুর হাট বসে। হাটজুড়ে ছিল দেশি গরুর প্রধান্য। তবে আজ হাটে তুলনামূলক পশুর দাম ছিল। গবাদি পশুর পাশাপাশি ভেড়া-ছাগল, হাঁসে নিয়ে বিক্রেতারা হাটে এসেছেন। ক্রেতা বিক্রেতাদের উপস্থিততে বাজার সরগরম হয়ে ওঠে। তবে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত ছিল। মাস্ক ছাড়াই অবাধে হাটে বিচরণ ছিল লোকজনের।

ক্রেতা বিক্রেতার সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর উপজেলায় দুইটি স্থানীয় পশুর হাট রয়েছে। একটি হলো পাটলী ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ বাজার এবং অপরটি হলো রানীগঞ্জের বাজার। আজ শুক্রবার কোরবানির পশুর হাট রসুলগঞ্জ বাজারে শেষ হাট ছিল। বাজারে ক্রেতাদের বিক্রেতার নামলেও বেচাবিকি কম হয়েছে।

হাটে আসা দিলোয়ার জানালেন, আজ কোরবানির শেষ হাট ছিল। যে কারণে পুরোবাজার জুড়ে পশুর হাট বসেছে। সকাল থেকেই কেনাবেচা শুরু হয়েছে। অন্যসব হাটের তুলনায় আজ হাটে পশুর দাম তুলনামূলক দাম ছিল।

গরু বিক্রেতা মো. সালেক মিয়া জানান, ভালো বেচাকেনা হচ্ছে। ক্রেতাদের প্রচন্ড সমাগমে জমজমাট হয়ে উঠেছে বাজার আমার দুইটি গরু নিয়ে এসেছি বাজারে বিক্রয়ের জন্য।

হাটের ইজারাদার মো. মকছু মিয়া বলেন, চাহিদা অনুয়ায়ী ন্যায্যমূল্যে মানুষ কোরবানির হাটে পশু কিনছেন। ৪৫ থেকে ৭০ হাজার টাকা মূল্যের গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান, ৬০ হাজার টাকা মূল্যের গরু আজকে ৪৫ থেকে ৪৮ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি হচ্ছে না।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত