৩০ অক্টোবর, ২০২৪ ২০:২৯
যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য কয়ছর এম আহমদ বলেছেন, “জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতির সামনে ইতোমধ্যে একটি বক্তব্য দিয়েছেন। সেখানে পরিষ্কার বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমরা সবাই মিলে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাপোর্ট করতে হবে এবং এই সরকারও যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচন দিতে হবে।’ আমরাও বিশ্বাস করি এই সরকার খুব দ্রুত নির্বাচন দেবে। নির্বাচিত এই সরকার হবে জনগণের সরকার, বিএনপির সরকার, তারেক রহমানের সরকার ইনশাল্লাহ্।”
মঙ্গলবার রাত ১০টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের মৌগাঁও গ্রামে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রওশন খাঁন সাগরের বাড়িতে তাঁর সাথে দেখা করার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমি চাই আপনাদের সাথে আমার রাজনৈতিক পরিচয় না হয়ে ব্যক্তিগত পরিচয় হোক, আত্মার পরিচয় হোক। যদি আত্মার সম্পর্ক স্থাপন করা যায় তখনই আমরা একে অপরের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা ভাগাভাগি করে নিতে পারবো। আমি জাতীয়তাবাদের শক্তিতে একত্রিয় হয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গড়ে যাওয়া বাংলাদেশ নামক পরিবারে একত্রে বসবাস করতে চাই। দেশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া কী কষ্টটাই না করেছেন। গত ১৭ বছর ধরে তাঁর সুযোগ্য পুত্র দেশ নায়ক তারেক রহমান কী পরিমাণ ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা আপনারা সবাই জানেন। প্রবাসে থেকেও প্রতিদিন ১৫/১৮ ঘন্টা ভার্চ্যুয়ালি সভা করে সকলের সহযোগিতায় দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন তিনি। দীর্ঘ একযুগ পর শতাধিক মানুষ নিয়ে দেশে ফিরতে পেরেছি। আমরা সবাই নির্যাতিত ছিলাম। আপনারা দেশে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন আর আমরা বিদেশে। শান্তিগঞ্জে যারা বিএনপি করেছেন তারা বেশি নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন। বিনা দোষে কারাবরণ করতে হয়েছে। শান্তিগঞ্জ নাম দিয়ে উপজেলাকে অশান্ত করে রাখা হয়েছিলো। শান্তিগঞ্জের মানুষকে শান্তিতে দেখতে চাই। এই উপজেলায় সম্প্রীতির বন্ধন দেখতে চাই। সেই সাথে আমিও আপনাদেরই একজন হয়ে থাকতে চাই।
বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ বিশ্ব রেকর্ড থাকবে উল্লেখ করে কয়ছর বলেন, মা খালেদা জিয়া দেশের মানুষকে ভালোবাসেন। তাদের পাশে থাকতে চান বলেই অনেক সুযোগ থাকার পরও এদেশ থেকে তিনি পালিয়ে যাননি। আমার আপনার মায়া তিনি ভুলতে পারেননি। জালিমের কারাগারে দীর্ঘদিন বন্দি ছিলেন। তাঁর এই ত্যাগ বিশ্ব রেকর্ড হয়ে থাকবে ইনশাল্লাহ। আপনারা দেখেছেন- বাকশালীরা, স্বৈরাচারেরা, মাফিয়ারা চল্লিশ মিনিট সময়ও সময় নেয় নাই, নেতাকর্মীদের ফেলে রেখে টুস করে পালিয়ে গেছে।
এসময় বক্তব্য রাখেন- শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফারুক আহমদ, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রওশন খাঁন সাগর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুর রশিদ আমিন।
অন্যাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সিরাজ মিয়া, ইলিয়াছ মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোশাহিদ আলী, তফজ্জুল হোসেন, সালেহ্ আহমদ, ফয়জুল করিম, আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম নাঈম, প্রচার সম্পাদক হিফজুর রহমান চৌধুরী দিদার, সমাজ সেবা সম্পাদক আবুল লেইচ, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হুমায়ুন পাঠান, শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম, জহির মিয়া, আঙ্গুর মিয়া, আইনুল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মুরাদ চৌধুরী, দরগাপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাস্টার শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান (ইউপি সদস্য), দরগাপাশা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সমুজ মিয়া, মুকিত মিয়া, বকুল মিয়া, আবদুল মুতালিব, মো. কবির মিয়া, সাদিক মিয়া, সা’দ মিয়া, জায়েদ খাঁন, নূরাই মিয়া, আবু তাহের, মোশাহিদ মিয়া, শান্তিগঞ্জ উপজেলা যুবদল নেতা ফরিদ গাজী, জগলু আহমদ, আঙ্গুর মিয়া, সৈয়দ আলম, তোফায়েল আহমদ, সাব্বির আহমদ, তানিম আহমদ, মকবুল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম সুমন, ওলামা দলের সভাপতি সজীব আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ, লিটন মিয়া (ইউপি সদস্য), সোয়েব আহমদ, মানছুর আহমদ, শব্দেন নূর আহমদ সাগর, দরগাপাশা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাহমুদ আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী শাহ আলম, সহ-সভাপতি মাসুক আলী (ইউপি সদস্য), মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আকিক মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমীন, যোগাযোগ সম্পাদক ইউনূছ খাঁন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জুনেদ আহমদ ফয়ছল, সদস্য সাজ্জাদ মিয়া, ইয়াহিয়া পারভেজ, হাসনাত মিয়া, লোকমান হোসেন, সুনামগঞ্জ জেলা প্রজন্মদলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রজন্মদলের সভাপতি জাকার উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রোমান আহমদ, সহ-সভাপতি মুহিম তালুকদার, রাকিদ মিয়া, দরগাপাশা ইউনিয়ন প্রজন্মদলের সভাপতি মোহাম্মদ আলী এয়াহিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন মিয়া, সাইফুল ইসলাম, ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা কবির আহমদ, কামরুল ইসলাম, সারোয়ার আহমদ, আবু সাঈদ, হুসাইন আহমদ, ইমন আহমদ ও খাইরুল আলম সামির।
আপনার মন্তব্য