নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ জুলাই, ২০২৫ ১২:৫৮

জালালাবাদ সেনানিবাসে বাংলাদেশ ও ইউএস আর্মির যৌথ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে কাউন্টার টেররিজম, শান্তিরক্ষা, জঙ্গলে অপারেশন, বিস্ফোরক বিষয়ে বাংলাদেশ ও ইউএস আর্মির যৌথ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৩ জুলাই থেকে শুরু হয়ে বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ আনুষ্ঠানিক সমাপ্ত হয়।

সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডো ইউনিটের ১০০ জন ও ইউএস আর্মির অধীনস্থ নেভাদা ন্যাশনাল গার্ডের ৬৬ জন সদস্য অংশ নেন।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ১৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।

শুরুতে স্বগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডো ব্রিগেডের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল হাসান।

এরপর, অপারেশন টাইগার লাইটস প্রশিক্ষণের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী হয়। পরে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। সনদ বিতরণ করেন অতিথিরা।

এরপর প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতার কথা জানান, লিড এক্স প্ল্যানারস, ইউএস মেজর উইস্টিসেন ও মেজর মাহমুদুল হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন বলেন, ইউএস-বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ প্রশিক্ষণ "টাইগার লাইটনিং ‎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতার একটি প্রতীক, যা বঙ্গোপসাগর ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা, শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় দুই দেশের লক্ষ্যকে ধারণ করে।

‎এই মহড়ার মাধ্যমে মার্কিন সেনারা বিশ্বে শান্তিরক্ষায় অসাধারণ দক্ষতার জন্য খ্যাত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন।

‎বাংলাদেশ সবসময় জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণে বিশ্বের শীর্ষ ৩ দেশের মধ্যে থাকে এবং মানের দিক থেকে শীর্ষস্থান অধিকার করে, আর এসকল মিশনে আছেন ১৮০০ নারী সেনাসদস্যও।

‎টাইগার লাইটনিং একটি ধারাবাহিক মহড়ার অংশ। বর্তমানে চলছে টাইগার শার্ক যেখানে স্পেশাল ফোর্সের সাথে নৌবাহিনী অংশ নিচ্ছে আর এ বছরের শেষে বিমান বাহিনীর সাথে অনুষ্ঠিত হনে হবে প্যাসিফিক অ্যাঞ্জেল।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে ফটোসেশান ও পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত