০৯ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৩০
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগরে শুক্রবার সকালে দুই বাসের সংঘর্ষে ৯ জন নিহ হয়েছেন। এই মহাসড়কসহ সহ সিলেট অঞ্চলের আওতাধীন মহাসড়কে গত ছয় মাসে ১৮৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৭ জন নিহত হয়েছেন।
এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৭৫ জন। এর মধ্যে গুরুতর আহত হয়েছেন ১০৯ জন। সিলেট অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ এসব তথ্য জানিয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দুর্ঘটনার মধ্যে মার্চে সবচেয়ে বেশি ৪১টি দুর্ঘটনা ঘটে। ওই মাসে নিহত হন ২৪ জন। মে মাসে ৪০টি দুর্ঘটনায় ২২ জন এবং জুনে ৩২টি দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ ২৯ জন প্রাণ হারান।
হাইওয়ে পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে ২২টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন, মার্চে ৪১টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন, এপ্রিলে ২৩টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন, মে মাসে ৪০টি দুর্ঘটনায় ২২ জন, জুনে ৩২টি দুর্ঘটনায় ২৯ জন এবং জুলাইয়ে ৩২টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে সাধারণ আহত হয়েছেন ১৬৬ জন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কে দূরপাল্লার বাস ও ট্রাকের বেপরোয়া গতির পাশাপাশি যত্রতত্র পার্কিং, মহাসড়কের পাশে ভাসমান দোকান এবং হাটবাজারকেন্দ্রিক যানজট দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
মৌলভীবাজারের শেরপুর মুক্তিযোদ্ধা চত্বর, নবীগঞ্জের আউশকান্দি কিবরিয়া চত্বর, শায়েস্তাগঞ্জ পয়েন্ট এবং সিলেটের ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের সমস্যা রয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, মহাসড়কে সর্বোচ্চ গতিসীমা ৮০ কিলোমিটার। কিন্তু অনেক দূরপাল্লার বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার বা তারও বেশি গতিতে চলাচল করে। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে চালকের পক্ষে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
আপনার মন্তব্য