২৭ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:০১
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র ও রেলওয়ে বাংকার এলাকায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের ফলে পরিবেশ ও নান্দনিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গণশুনানি করেছে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটি।
বুধবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউজে আয়োজিত গণশুনানি শুরু হয়। এতে উপস্থিত আছেন তদন্ত কমিটির আহবায়ক ও মন্ত্রীপরিষদ সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) জাহেদা পারভীসেহ তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা।
গণশুনানিতে অংশ নিয়ে নিজেদের বক্তব্য প্রদান করছেন বিভাগীয় কমিশনার থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও শুনানীতে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া পরিবেশবাদি সংগঠনের প্রতিনিধি, ট্রাক পরিবহন মালিক সমিতি, পাথর ব্যবসায়ী সমিতি ও পেসক্লাব নেতারাও শুনানিতে অংশ নিয়ে তদন্ত কমিটির কাছে বক্তব্য প্রদান করছেন।
ন্ত্রী পরিষদ গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার থেকে কাজ শুরু করেছে। মঙ্গলবার তারা সরেজমিনে সাদাপাথর পরিদর্শন করে।
এরআগে গত ২০ আগস্ট মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।
সাদাপাথর লুটের ঘটনায় ইতোমধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতিবেদনে সাদাপাথর লুটে বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা মিলিয়ে ৫৩ জনের সম্পৃক্ততা পেয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক। এতে বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি এসপি, ইউএনও, ওসি- সবাইকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক নেতা ও ব্যবসায়ীরা লুটপাটে জড়িত উল্লেখ করে তাদের ৪২ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পাথর আত্মসাতের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাগুলোর নিষ্ক্রিয়তা ও যোগসাজশ ছিল।
এছাড়া জেলা প্রশাসন ঘটিত তদন্ত কমিটিও প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এই প্রতিবেদনে লুটে শতাধিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হলেও কারো নাম প্রকাশ করা হয়নি।
আপনার মন্তব্য