২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২১:৪২
সিলেটের সাদাপাথর লুটের মামলায় গ্রেপ্তার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাহাব উদ্দিনের মুক্তি দাবি করে বিবৃতি দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
জেলা বিএনপি থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশের (শোকজ) লিখিত জবাবে সাহাবুদ্দিনের মুক্তি চেয়ে বিবৃতি প্রদানের কথা অস্বীকার উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল মন্নান ও সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার দুই নেতা নোটিশের জবাব দিয়েছেন। তাদের জবাব সাংগঠনিকভাবে পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জেলা বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ তাঁদের কাছে পাঠানো হয়।
নোটিশে বলা হয়, কেন্দ্রীয় বিএনপির সিদ্ধান্তে সাহাব উদ্দিনের সব পদ স্থগিত থাকার পরও তাঁর পক্ষে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, যা দলীয় সিদ্ধান্ত ও নীতির পরিপন্থী এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের শামিল।
শোকজের জবাবে আবদুল মন্নান ও আলী আকবর জানান, বিবৃতি প্রকাশের দিন তাঁরা ঢাকার ফকিরাপুল এলাকায় হোটেল নিউ স্টার্নের ৫০৯ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছিলেন। তাঁরা সাহাব উদ্দিনের পক্ষে কোনো লিখিত বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেননি। তাই তাঁদের ওপর আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চান।
তবে এর আগে আলী আকবর গণমাধ্যমে স্বীকার করেছিলেন, সাহাব উদ্দিনের মুক্তির দাবিতে বিবৃতি তাঁরা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাঁকে ভালোভাবে চিনি। তিনি লুটপাটে জড়িত ছিলেন না, বরং এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন।’
উল্লেখ্য, আলী আকবর সাহাব উদ্দিনের চাচাতো ভাই।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে র্যাব-৯ সিলেট নগরের আম্বরখানা এলাকা থেকে সাহাব উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন।
এর আগে গত ১১ আগস্ট দলীয় নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর পদ স্থগিত করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।
আপনার মন্তব্য