০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৩
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন সার্ভার রুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কার্যক্রম বর্তমানে ম্যানুয়ালি পরিচালিত হচ্ছে।
সোমবার সকাল থেকে ম্যানুয়ালি কাজ চলছে জানিয়ে বিমানবন্দর পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন, ইমিগ্রেশন সার্ভার রুমে অগ্নিকাণ্ড হলেও সোমবার সকাল থেকে ম্যানুয়ালি কাজ করতে হচ্ছে। ম্যানুয়ালি কাজ করতে গিয়ে কিছুটা বিলম্ব হলেও যাত্রীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে ফ্লাইট অপারেশনে কোনো ব্যাঘাত হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য ঢাকা থেকে ইমিগ্রেশন অফিসের দায়িত্বশীলরা আসবেন।”
এর আগে রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে, বিদ্যুতের গোলযোগ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
ওসমানী বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ইমিগ্রেশন সার্ভার আগুনে পুড়ে যাওয়ায় ইমিগ্রেশন পুলিশকে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে। কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা অফিসে যোগাযোগ করে তা সমাধান করা হচ্ছে।
তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সার্ভার রুমে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে তথ্য কেউ জানাতে পারেনি। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা না গেলেও প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সিলেট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার কুতুব উদ্দিন বলেন, “রাতে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আধ ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা গেছে, বিদ্যুতের গোলযোগ থেকে আগুন লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তদন্ত শেষে বলা সম্ভব।
কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এই বিষয়ে তিনি বলেন, “এটা তদন্ত করে বলতে হবে। বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের দায়িত্বপ্রাপ্তরা আমদের কোনো কিছু জানায়নি।”
আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ান (এপিবিএন) সিলেটের অধিনায়ক ও এডিশনাল ডিআইজি এআরএম আরিফ বলেন, এখনও অগ্নিকান্ডের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিসের রিপোর্ট পাওয়ার পর এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে আমাদের ধারণা বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। মিনটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
তিনি বলেন, অগ্নিকান্ডে ইমিগ্রেশন সার্ভার রুমের এসি ফ্রিজসহ সব আসবাব পুড়ে গেছে। তবে বড় ধরণের ক্ষতি হয়নি। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
আপনার মন্তব্য