একুশ তাপাদার, জৈন্তাপুর থেকে

২৩ এপ্রিল, ২০১৬ ১৬:০২

ফসল বাঁচাতে ব্যস্ত কৃষক, আগ্রহ নেই ভোটে

অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে ডুবছে হাওরের ফসল। কৃষক ব্যস্ত ফসল রক্ষায়। ধান বাঁচাতে জান বাজি রেখে মাঠে কাজ করছেন তারা। ফলে নির্বাচন নিয়ে ভাবনার ফুসরত নেই তাদের। ভোট দেওয়ারও সময় নেই।

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের একাধিক কৃষকের সাথে আলাপ করে নির্বাচন নিয়ে তাদের অনাগ্রহের কথাই জানা গেছে।

৬ নং চিগনাগুল ইউপির কাপনাকান্দি,  কোহাইগড় দ্বিতীয় খন্ড এলাকার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়,  ভোটের লাইনে পুরষদের চেয়ে নারীদের উপস্থিতিই বেশী। পুরুষরা হাওরে ধান কাটায় ব্যস্ত থাকায় ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চিকনাগুল ইউনিয়নের ববড় হাওরের গিয়ে কথা হয় কৃষক রহমত আলীর সাথে। পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটায় ব্যস্ত তিনি। রহমত আলী বলেন, নৌকায়ও কইছইন ভোট দিতাম ধানেও কইছইন কিন্তু ধান বাচাইতাম কিলা কেউ ত কইরা না।

তিনি বলেন, ধান তইয়া ভোট দিলে পেটে ভাত আইব নি?

কৃষকরা জানান, গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ববড় হাওরের বেশিরভাগ ফসলই পানিতে তলিয়ে গেছে।

সোহরাব আলী নামের এক কৃষক বলেন, হাওরে ফসল কেটে ভোটটা দিতে আসছি। ভোট দেওয়া শেষ হলেই আবার হাওরে চলে যাবো।

মােবারক হোসেন নামের এক কৃষক বলেন, ভোট দেওয়ার চেয়ে ধান রক্ষা করাই এখন জরুরী। ভোট না দিলেও কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু ধান বাঁচাতে না পারলে না খেয়ে মরতে হবে।

কাপনাকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিসাইডিং অফিসার ইন্দ্রিস আলী বলেন, এই কেন্দ্রে নারী ভোটার বেশি। পুরুষরা ফসল বাঁচাতে ব্যস্ত থাকায় ভোট কেন্দ্রে কম এসেছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত