দেবব্রত চৌধুরী লিটন

১৯ মে, ২০১৬ ০০:১৪

এখনো চা বাগানের পূর্ণ দখল পাননি পঙ্কজ, রাগীব আলীকে চিঠি

দখল বুঝে পাওয়ার তিনদিন পেরিয়ে গেলো এখন পর্যন্ত তারাপুর চা বাগানের কাগজপত্র ফিরে পাননি সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্ত। কাগজপত্র না পাওয়ায় তিন দিনেও বাগানের কার্যক্রম শুরু করতে পারছেন না তিনি। ফলে বাধ্যহয়ে বুধবার কাগজপত্র ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রাগীব আলীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন পঙ্কজ গুপ্ত।

প্রায় ২৫ বছর পর শিল্পপতি রাগীব আলীর দখল থেকে মুক্ত করে দুই হাজার কোটি টাকার দেবোত্তোর সম্পত্তি তারাপুর চা বাগান রোববার সেবায়েত পঙ্কজ গুপ্তকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

তবে বাগানের দখল ফিরে পেলেও কারখানায় যন্ত্রপাতি না থাকায় পূর্ণদ্যোমে উৎপাদন শুরু করতে পারছেন না তিনি। এছাড়া অর্থ সঙ্কট ও বাগানের কাগজপত্র না পাওয়ায়ও বিপাকে পড়তে হ্চছে তাকে।

বুধবার এ ব্যাপারে পঙ্কজ গুপ্ত সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রতি বৃহস্পতিবার চা শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরী দিতে হয়। কিন্তু আমার হাতে কোনো টাকা নেই। তাই ঋণ করে টাকা সংগ্রহ করতে হয়েছে।



তিনি বলেন, 'তিনদিনেও আমাকে বাগানের কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। ফলে বাগানের পুর্ন দখল এখনো আমি ফিরে পাইনি। আমি গত দুইদিন বাগান ব্যবস্থাপকের কাছে কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য লোক পাঠালেও তিনি তা দেননি। ফলে বুধবার বাধ্য হয়ে আমি রাগীব আলী ও বাগান ব্যবস্থাপক আতাউর রহমানের কাছে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে চিঠি পাঠিয়েছি। চিঠিতে তাদের কাগজ বুঝিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি।'

কারখানার যন্ত্রপাতি না থাকায় পাশ্ববর্তী আলী বাহার চা বাগানের কারখানায় নিয়ে তারাপুর বাগান থেকে সংগৃহিত চা প্রক্রিয়াজাত করতে হচ্ছে। প্রতিদিন এই বাগানে ১২০০-১৩০০ কেজি চা উৎপাদন হচ্ছে বলে জানান তিনি।  

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার আমি সিলেটের জেলা প্রশাসকের সাথেও কথা বলবো।

পঙ্কজ বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বাগানের ক্ষতিপুরণ বাবদ ৩ ০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা সাতদিনের মধ্যে আমাকে দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু দুই মাসের মধ্যেও আমাকে ক্ষতিপুরণের টাকা দেওয়া হয়নি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত