০৮ এপ্রিল, ২০১৫ ১৪:১৮
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় প্রশাসনের বাঁশকল ভেঙ্গে দিয়েছে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। অবৈধ বাঁশকল স্থাপনের অভিযোগে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা জৈন্তাপুরের চাংজিল এলাকার প্রশাসনের বাঁশকলটি ভেঙ্গে ফেলে। বাঁশকলটি ভাঙ্গার পর তারা চাংজিল এলাকা থেকে স্থায়ীভাবে বাঁশকল তোলে নেওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য তামাবিল সড়কে ট্রাক অবরোধের ডাক দিয়েছে।
জানা যায়, ২০১৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে জৈন্তাপুরের চাংজিল এলাকায় বাঁশকল স্থাপন করে খাস আদায় করছে জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার আসামপাড়া আর্দশ্য গ্রাম, শ্রীপুর ও রাংপানি এলাকার কোয়ারী থেকে উত্তোলনকৃত পাথর এর উপর খাস আদায় কারার জন্য ঐ তিন এলাকার নদীর উৎস মুখে বাঁশকল স্থাপন না করে চাংজিল এলাকায় বাঁশকল স্থাপন করেন উপজেলা প্রশাসন। চাংজিল এলাকায় বাঁশকল স্থাপন করায় আসামপাড়া আর্দশ্য গ্রাম, শ্রীপুর ও রাংপানি এলাকার কোয়ারী থেকে উত্তোলনকৃত পাথরসহ জাফলং এবং এলসি’র পাথরের গাড়ি থেকে খাস আদায় করা হয়। এতে পাথর ব্যবসায়ী, শ্রমিকরা উপজেলা প্রশাসনে প্রতিবাদ জানায়। প্রতিবাদ করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সমাধান না পাওয়ায় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা ক্ষেপে উঠে। বুধবার সিলেট জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দিলু মিয়ার নেতৃত্বে শত শত শ্রমিক চাংজিল এলাকা থেকে বাঁশকল ভেঙ্গে ফেলে। পরে তারা চাংজিল এলাকা থেকে স্থায়ীভাবে বাঁশকল তোলে নেওয়া না পর্যন্ত তামাবিল সড়কে ট্রাক অবরোধের ডাক দেয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নুর মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সফিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল আলম, জৈন্তাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যন , ব্যবসায়ী এখলাছুর রহমান, তামাবিল কয়লা, পাথর ও চুনাপাথর আমদানি গ্রুপের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াছ উদ্দিন লিপু, জাফলং স্টন, ক্রাসার মিল মালিক সমিতির সভাপতি বাবলু বখত প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য