সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

২৪ নভেম্বর, ২০১৬ ২০:১১

সুনামগঞ্জ দিয়ে ফের কয়লা আমদানি শুরু

প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে সুনামগঞ্জের তিনটি শুল্ক স্টেশন দিয়ে আবার কয়লা আমদানি শুরু হয়েছে।

গতকাল বুধবার (২৩ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বৃহৎ কয়লা শুল্ক স্টেশন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়ছড়া, বাগলী ও চারাগাঁও দিয়ে এ কয়লা আমদানি শুরু হয়। কয়লা আমদানি আবারও শুরু হওয়ার খবরে সকাল থেকেই সীমান্তের বড়ছড়া-চারাগাঁও ও বাগলী এলাকার আমদানিকারক, ছোট ছোট দোকানি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে খুশির আমেজ বিরাজ করছিল।

এ সময় ভারতের মেঘালয় মাইন ওনার্স এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন এবং তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তিন শুল্ক স্টেশনে একইসঙ্গে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

বিকেলে মেঘালয় রাজ্যে থেকে কয়লাবোঝাই ট্রাক আসার পর কর্মচাঞ্চল্য শুরু হয় তাহিরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা বড়ছড়া, বাগলী ও চারাগাঁও এলাকায়। কয়লাবোঝাই ট্রাকগুলো গ্রহণ করেন তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি আলকাছ উদ্দিন খন্দকার।

তিন শুল্ক স্টেশন দিয়ে কয়লা আমদানি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় রপ্তানিকারক জেপি হাস্যা, এম কার কারাংগার, নাছার সিং মরিউইন, বড়ছড়া শুল্ক কর্মকর্তা সমীর বসু, টেকেরঘাট বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার নিজাম উদ্দিন ও সুনামগঞ্জ শিল্প ও বণিক সমিতির পরিচালক মঞ্জুর খন্দকার প্রমুখ।

তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি আলকাছ খন্দকার জানান, ভারতের মেঘালয়ের পরিবেশবাদী সংঘটনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল ২০১৪ সালের ১৩ মে থেকে আদালতের রায়ে কয়লা আমদানি বন্ধ ছিল।

পরে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে রায়ের বিরুদ্ধে ভারতের কয়লা রপ্তানিকারকরা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত উত্তোলিত কয়লা রপ্তানির জন্য গত পহেলা অক্টোবর থেকে ২০১৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত সময় দেয়। কিন্তু ব্যবসায়ীদের কাগজপত্রে জটিলতা থাকায় আমদানি-রপ্তানি কাজ শুরু করতে দেরি হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত