১৭ জানুয়ারি, ২০১৭ ১৬:০৩
'নো বিসিএস নো ক্যাডার' শিরোনামে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিসিএস সাধারন শিক্ষা সমিতি হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট।
সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বৃন্দাবন কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকরা বিসিএস পাশ ছাড়া কাউকে বিসিএস ক্যাডারভুক্ত না করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০১০ এর অধ্যায় ২৭ এর ২৮ নং অনুচ্ছেদে কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হন, সে জন্য কলেজ জাতীয়করণের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান প্রণয়নের কথা বলা আছে। ইতোপূর্বে যে সব কলেজ জাতীয়করন হয়েছে, তার প্রায় কোন কলেজেই নতুন পদ সৃষ্টি হয়নি। তাহলে ঐ সব কলেজের শিক্ষকগন কার জায়গায় প্রমোটেড হয়েছেন? অবশ্যই ক্যাডারদের জায়গায়। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য এই কাজটিই যথেষ্ট।
শিক্ষকরা বলেন, কলেজ জাতীয়করণে তাদের কোন বিরোধিতা নেই। তবে বিসিএস পরীক্ষা না দিয়ে বিসিএস ক্যাডারে অন্তর্ভূক্ত করা কোনো ভাবেই গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। বাংলাদেশে অন্য কোনো ক্যাডারে এই ধরনের পার্শ্ব প্রবেশের সুযোগ নেই বলে জানান শিক্ষকরা।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী দেশের প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে সরকারি কলেজ স্থাপনের প্রয়াস নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। এ উদ্যোগকে সাধারন শিক্ষা সমিতি সাধুবাদ জানায়। তবে সাথে সাথে এ জাতীয়করণের বিষয়টি এখন দুশ্চিন্তার কারন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কারন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতীয়করন হওয়া কলেজ থেকে কেউই বদলি হতে পারবেন না। কিন্তু এ নির্দেশনা উপেক্ষিত হচ্ছে। পাশাপাশি নন ক্যাডার শিক্ষকগন বিসিএস ক্যাডারভূক্ত হওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসনে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। নন ক্যাডারগন ক্যাডারভূক্ত কর্মকর্তা হতে চাইলে তাদের মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতা অবশ্যই প্রশ্নের সম্মুখীন। তাই সকল সমালোচনার উর্ধে থেকে কর্তৃপক্ষের জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ সালের বর্ণিত নীতিমালা অনুযায়ী বিধিমালা প্রণয়নে এখনই পদক্ষেপ নেয়া জরুরী এবং বেসরকারিদের শিক্ষা ক্যাডারের বহির্ভুত রেখে নীতিমালা প্রণয়ন আবশ্যক।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর দেওয়ান জামাল উদ্দিন চৌধুরী, মাহবুবা খানম চৌধুরী ও সহকারী অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র দেব, ইলিয়াছ বখত চৌধুরী জালাল, প্রদীপ কুমার রায়, মনিরুল ইসলাম, সুহেলুর রহমান, সজিব দেব, জগলুল ইসলাম, খলিলুর রহমান, নজরুল ইসলাম, আব্দুল কাইয়ূম, জামান হোসেন প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য