১৯ জানুয়ারি, ২০১৭ ১৭:৪১
জকিগঞ্জে কলেজছাত্রী ঝুমা আক্তারের ওপর হামলার ঘটনা ‘স্বীকার’ করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে বাহার উদ্দিন। বৃহস্পতিবার বিকেলে জকিগঞ্জ বিচারিক আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম খায়রুল আমিনের কাছে তিনি এ জবানবন্দি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জকিগঞ্জ থানার ওসি হাবিবুর রহমান।
তিনি বলেন, “জবানবন্দিতে ঝুমার ওপর হামলার কথা স্বীকার করেছেন বাহার। পরে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
এরআগে সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মির্জার চক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ইছামতী ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ঝুমা আক্তার গত রোববার সকালে বাড়ি থেকেবের হয়ে গ্রামের পথে হামলার শিকার হন। হামলার ঘটনায় সোমবার রাতে ঝুমার মা করিমা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন।
মামলায় ছুরিকাঘাতকারী হিসেবে বাহার উদ্দিনকে প্রধানসহ আরও তিন-চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ১৫ জানুয়ারি দুপুরের দিকে ঝুমা আক্তার নামের ওই তরুণীকে ছুরি দিয়ে জখম করে একই গ্রামের বাহার নামের এক বখাটে। ঘটনার পরদিন অভিযুক্তের ভাই নাসিরুদ্দিনকে আটক করে পুলিশ। নাসিরকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলো বাহার।
এদিকে ঝুমার অবস্থা আশংকামুক্ত বলে জানান স্বজনেরা। রসুলপুর গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের মেয়ে ঝুমা জকিগঞ্জের ইছামতি ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, বাহার একইগ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে।
আপনার মন্তব্য