২৭ জানুয়ারি, ২০১৭ ২০:৩৬
ছাতকে নিখোঁজের দু’সপ্তাহ অতিক্রান্ত হলেও ওমান প্রবাসীর স্ত্রী রুবেনা বেগমকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। গত ১২ জানুয়ারী দক্ষিন খুরমা ইউনিয়নের হাতধনালী গ্রামের স্বামীর বাড়ি থেকে রুবেনা বেগম নিখোঁজ রয়েছেন।
রুবেনা বেগমের আকষ্মিক নিখোঁজ হওয়ায় তার পিত্রালয়ে চলছে আহাজারী। প্রতিদিনই হন্য হয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করছেন রুবেনার স্বজনরা। রুবেনা বেগম উপজেলার হাতধনালী গ্রামের ওমান প্রবাসী সুমন মিয়ার স্ত্রী ও গোবিন্দগঞ্জ-সৈয়দেরগাঁও ইউনিয়নের তকিপুর গ্রামের হারিছ আলীর কন্যা।
নিখোঁজের পরদিন রুবেনার চাচা আব্দুল মতলিব ছাতক থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেন। এর প্রেক্ষিতে সানাজুল মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। কিন্তু প্রবাসীর স্ত্রী রুবেনা বেগমকে উদ্ধারে আর কোন পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ রুবেনার স্বজনদের।
পুলিশ বলছে রুবেনা নিখোঁজের বিষয়টি রহস্যজনক। কিন্ত দু’সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও রুবেনা বেগমকে উদ্ধার বা ঘটনার রহস্য উদঘাটন কোনটিই করতে পারছেনা পুলিশ। ফলে ক্রমেই হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছে রুবেনার পিতৃালয়ের লোকজন।
জানা যায়, প্রায় এক বছর পূর্বে দক্ষিন হাদনালী গ্রামের গোলাম সবুরের পূত্র ওমান প্রবাসী সুমন মিয়ার সাথে গোবিন্দগঞ্জ-সৈয়দেরগাঁও ইউনিয়নের তকিপুর গ্রামের হারিছ আলীর কন্যা রুবেনা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় দু’ মাস পর সুমন মিয়া তার নিজ কর্মস্থল ওমানে ফিরে যান। এখনো তিনি ওমানেই অবস্থান করছেন। সুমনের বাড়ীর লোকজনের মতে গত ১২ জানুয়ারী সকালে শিশু কন্যা আমিনা বেগমকে শয়ন কক্ষের বিছানায় রেখে রুবেনা বেগম নিখোঁজ হয়। থানা পুলিশ তদন্ত করতে গিয়ে সুমনের ভাগিনা সানাজুল মিয়াকে গত বুধবার রাতে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও রুবেনা বেগমের কোন সন্ধান সে দিতে পারেনি।
ছাতক থানার ওসি (তদন্ত) আশরাফুল ইসলাম জানান, রুবেনার নিখোজ হওয়ার বিষয়টি রহস্যজনক। এ ঘটনায় রুবেনার স্বামী সুমনের ভাগিনাকে সানাজুলকে থানা এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখনও রুবেনার সঠিক সন্ধান পাওয়া যায়নি। আশা করছি দ্রুতই নিখোঁজ হওয়া রুবেনার রহস্য উদঘাটিত হবে।
আপনার মন্তব্য