নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ ফেব্রুয়ারি , ২০১৭ ১৯:৫৪

বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বার্নিকাটের উদ্বেগ

বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া ব্লুম বার্নিকাট।

শনিবার বিকেলে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে স্থাপিত আমেরিকান কর্ণার আয়োজিত ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস মোকাবেলায় করণীয় শীর্ষক সংলাপে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

সংলাপে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে আসছে মন্তব্য করে এ ব্যাপারে অন্যদের মত জানতে চান। এসময় সংলাপে অংশগ্রহণকারী অন্যরাও দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেন। একজন অংশগ্রহণকারী বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা মত প্রকাশ করতে পারি। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার কারণে সবসময় আতঙ্কে থাকি। কখন পুলিশ ধরে নিয়ে যায় এ নিয়ে আতঙ্কে ভূগি।

সংলাপে সিলেটের বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, এনজিওকর্মীরা অংশ নেন।

বার্নিকাট শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের কেবল পরীক্ষা পাশের জন্য পড়াশোনা না করিয়ে তাদের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে।

সন্তানদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি তরুণ প্রজন্মকে হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মানবকল্যানমূলক ও সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন।

মার্কিন দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি অফিসার টেলি মিশেল ক্লার্কের সঞ্চালনায় সংলাপে প্যানেল বক্তা ছিলেন ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের এ্যলুমোনাই প্রণবকান্তি দেব, এনজিওকর্মী তৌহিদুল হাসান চৌধুরী, নারী উদ্যোক্তা বদরুন্নেসা খানম ও শাবি শিক্ষার্থী নওশিন তাবাচ্চুম।

এরআগে শনিবার বেলা ১টার দিকে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পৌছেন রাষ্ট্রদূত। এসময় তিনি ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান সামসি বেগম, সদস্য ফরিদা বেগম ও শারিয়ার কবির রবিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর মো. মনির উদ্দিন।

আরও উপস্থিত ছিলেন- মানবিক অনুষদের ডিন প্রফেসর সৈয়দ মুয়ীজুর রহমান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ঋষি কেশ ঘোষ, বাণিজ্য অনুষদের ডিন প্রফেসর রুহুল আমিন, প্রশাসন ও জনসংযোগ পরিচালক মো. তারেক উদ্দিন তাজ, অর্থ পরিচালক সুশান্ত আচার্য, প্রক্টর মাহবুব ইবনে সিরাজ, রেজিস্ট্রার নসরত আফজা চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আব্দুল্লাহ্ আলো, আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হুমায়ুন কবির, ইসিই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এক্রামুল ফারুক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হাসান মাহামুদ, সহকারী প্রক্টর শাহজাহান আহমদ, সেকশন অফিসার অপু চক্রবর্ত্তী এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আমেরিকান কর্ণারের পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান মো. মোস্তফা কামাল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত