বড়লেখা প্রতিনিধি

১৮ মার্চ, ২০১৭ ০১:০৭

বড়লেখায় শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার ভাংচুর

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টারে ভাংচুর চালিয়েছে কয়েকজন শিক্ষার্থী। শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৌর শহরের আছিয়া প্লাজা মার্কেটস্থ শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টারে এ ভাংচুর চালানো হয়। শিক্ষার্থী পরিচয়দানকারী হামলাকারীরা কাউন্টার তছনছ করে আসবাবপত্রে ব্যাপক ভাংচুর ও নগদ টাকা লুট করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত ভাংচুরের ঘটনায় থানায় কোন মামলা করেননি কাউন্টারের মালিক।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী, কাউন্টার মালিক সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লাঠি-সোটা হাতে নিয়ে একদল শিক্ষার্থী শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টারে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে ভাংচুর চালায়। হামলাকারীরা কাউন্টারের চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে তছনছ করে এবং নগদ ১৭ হাজার টাকা লুট করে চলে যায়।

এ ঘটনার খবর পেয়ে থানার অফিসার ইন-চার্জ মুহাম্মদ সহিদুর রহমান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দেবদুলাল ধর, পৌরসভার প্যানেল মেয়র তাজ উদ্দিন, কাউন্সিলর জেহীন সিদ্দীকি, আব্দুল মালিক জুনু প্রমুখ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

কাউন্টার মালিক নিবলু দত্ত জানান, ‘সকালে আমি কাউন্টারে চিলাম না। ম্যানেজার ছিলেন। ভাংচুরের খবর পেয়ে কাউন্টারে আসি। হামলাকারীরা শিক্ষার্থী পরিচয়ে কাউন্টারে প্রবেশ করে। তারা ভাংচুর চালিয়ে নগদ ১৭ হাজার টাকা লুটসহ ২লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। তবে কি কারণে তারা আমার কাউন্টারে হামলা চালিয়েছে তা আমি বুঝে উঠতে পারছি না।’

প্রত্যক্ষদর্শীদের একটি সূত্র জানিয়েছে গত বৃহস্পতিবার রাতে নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় বড়লেখা ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নজরুল ইসলাম নিহতের ঘটনায় কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এ হামলার ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

বড়লেখা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দেবদুলাল ধর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাতে জানান, ‘ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে কাউন্টার কর্তৃপক্ষ কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মন্তব্য

আলোচিত