১৮ মার্চ, ২০১৭ ০২:১৪
চেক জালিয়াতির অভিযোগে সিলেট মহানগর মূখ্য হাকিম আদালতে মামলা করেছিলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী হুমায়ুন হোসেন। কিন্তু আদালতের কর্মচারীর ভুলে অভিযুক্তের বদলে বাদী বিরুদ্ধে জারি হয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।
পরোয়ানা পেয়ে গত ১২ মার্চ নগরীর মধুশহীদের নিজ বাসা থেকে হুমায়ুন হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আট ঘন্টা বন্দি থাকার পর আদালতের মাধ্যমে মুক্তি পান হুমায়ুন।
মো. হুমায়ুন হোসেন নিজেই এমন অভিযোগ করেছেন। শুক্রবার তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২৩ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার পূর্ব পাটলিয়া গ্রামের মো সুবেদ আলীর ছেলে মো আকতারের বিরুদ্ধে ১৫ লক্ষ টাকা চেক জালিয়াতির অভিযোগে সিলেটের মূখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা (নং কতোয়ালী সিআর ১১৮৫/২০১৭) দায়ের করেন। এই মামলার বাদী হুমায়ুন হোসেন আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করলেও বিবাদী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এতে আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারী করেন। কিন্তু জারীকৃত ওই পরোয়ানায় বিবাদীর নামের স্থলে আমার নাম ও ঠিকানা উল্লেখ থাকায় গত ১২ মার্চ (রোববার) ভোর ৩ টার দিকে পুলিশ আমাকে আটক করে। ৮ ঘণ্টা থানা হাজতে থাকার পর ওই দিন দুপুর ২ টার দিকে আদালত থেকে রিকলের কপি থানায় এসে পৌঁছার পর আমি মুক্তি পাই।
এ ব্যাপারে হুমায়ুন হোসেনের আইনজীবী এডভোকেট বিপ্রদাশ ভট্টাচার্যের সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এই মামলায় আসামীর নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু না হয়ে বাদির নামে করণিকের (পেশকার) ভূলবশত ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছিল। এতে করে হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের রিকলের মাধ্যমে তিনি মুক্ত হন।
এ বিষয়ে সিলেটের কতোয়ালী উপ পরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ সেন সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মো. হুমায়ুন হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশে থানার ওসি তদন্ত, সেকেন্ড অফিসারসহ আমি তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসি। পরে সকালের দিকে তিনি আদালতের মাধ্যমে মুক্তি পান।
আপনার মন্তব্য