২৩ মার্চ, ২০১৭ ১৬:০২
দেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে সহকারী মেডিকেল অফিসার নিয়োগসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ইউনানী মেডিক্যাল এসোসিয়েশন সিলেট শাখা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালীন সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ইউনানী চিকিৎসা সেবার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এবং চিকিৎসকদের দাবির প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সভায় সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক আলোচনা শেষে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর পক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
সমাবেশে সংগঠনের সিলেট শাখার সহ সভাপতি মিফতাহুল হোসেন সুইটের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাকীম মো. মনোয়ার হোসেন সুহেলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সিলেট আয়ুর্বেদ কলেজের অধ্যক্ষ ড. দিলীপ কুমার দাশ চৌধুরী, সহ সভাপতি তাজ উদ্দিন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ ছাদুল্লাহ বাচ্চু, প্রচার সম্পাদক মো. এমদাদ মিয়া, গবেষণা সম্পাদক মনির চৌধুরী, সাহিদুর রহমান সাহিদ, জামাল হাসান, গোলাম কিবরিয়া, জাকির হোসাইন তরফদার, দিলদার হোসেন শামীম, মিনহাজ উদ্দিন মুন্না, সেলিম আহমদ চৌধুরী, উত্তম সরকার, নিধু রঞ্জন দাশ, আমিনুল ইসলাম, তপন কুমার দাশ, সেলিনা জান্নাত, মনির চৌধুরী, রাবেয়া বেগম, সুফিয়া বেগম, আবদুল আওয়াল, আশরাফুল ইসলাম রুবেল, আয়নাল হক, আজিজুল হক, জাবের আহমদ, রাসেল আহমদ, রুকন আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, আজির উদ্দিন, আফতাব আহমদ, আবদুল লতিফ প্রমূখ।
সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, প্রাচীন পদ্ধতি ও প্রাকৃতিক ঔষধের মাধ্যমে ইউনানী ও আয়ুর্বেদ চিকিৎসা ব্যবস্থা যুগ যুগ ধরে মানুষের সেবা দিয়ে আসছে। তার সাথে অতপ্রতভাবে জড়িত ইউনানী চিকিৎসকরা বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু তাদের উন্নয়নে কোনো সময়ই কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তাই বক্তারা দ্রুততার সাথে সমস্যাগুলো চিহিৃত করে ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের দাবি জানান।
সংগঠনের নেতারা বলেন, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণা উন্নয়নে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সভা ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ডিপ্লোমাধারী ইউনানী ও আয়ুর্বেদীক হাকীম, কবিরাজদের ২য় শ্রেণির পদমর্যাদায় সরকারি চাকুরীতে গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি এবং ডিপ্লোমাধারীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়োগের পদ সৃষ্টি করা। এছাড়াও বেসরকারী ইউনানী-আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক কলেজ শিক্ষকদের এমপিও ভূক্তকরণ, চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও প্রকাশনা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে টাকা বরাদ্দসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
আপনার মন্তব্য