নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ মার্চ, ২০১৮ ২০:২০

সিলেটে মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার আন্দোলনের যাত্রা শুরু

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, জ্ঞানের জন্য পাঠাগারের কোনো বিকল্প নেই। প্রতি ইউনিয়নে পাঠাগার স্থাপনের কাজটি খুবই মহৎ, কিন্তু বাস্তবায়ন কঠিন। এজন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে ও লেগে থাকতে হবে।

সোমবার বিকেলে সিলেট নগরীর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার আন্দোন’-এর উদ্বোধনকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এসব কথা বলেন। সিলেট বিভাগের সবকটি ইউনিয়নে ‘মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার’ স্থাপনের লক্ষে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন মুহিত।

তিনি ইউনিয়ন পর্যায়ে এই পাঠাগারের কার্যক্রম চালুর পাশাপাশি তা ধরে রাখার আহবান জানিয়ে বলেন, প্রথম অবস্থায় পাঠাগারে নতুন বই কেনার পর আর বই কেনা হয় না। সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে সরকার বিভিন্ন পাঠাগারে নতুন বই দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এটি অব্যাহত রাখতে হবে।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার আন্দোলনের সংগঠক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম ও সিলেটের জেলা প্রশাসক নুমেরী জামান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক ও গবেষক তাজুল মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আমরা যদি নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের বিষয় ছড়িয়ে দিতে পারি, তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম কখনো বিপথগামী হবে না।

সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রধান অতিথি হিসেবে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন মোহাম্মদ আলী জিমনেশিয়ামে সংস্কৃতি মন্ত্রনালয় পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত বই মেলার উদ্বোধন করেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত