২১ মার্চ, ২০১৮ ০০:২৪
সিলেটের গোলাপগঞ্জে বজ্রপাতে গ্যাস রাইজার থেকে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ মার্চ) উপজেলার লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন কমপ্লেক্সে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন এলাকার মুরব্বি আনোয়ার মিয়া। আমিরুল ইসলামের পরিচালনায় এতে বক্তব্য দেন- জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা শাহজাহান কবির, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ, লক্ষণাবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নছিরুল হক শাহিন, ফুলশাইন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুজা মোহাম্মদ জাকারিয়া, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য সুহেল আহমদ, ব্যবসায়ী আনা মিয়া, গোলাপগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি হারিছ আলী, সহ সভাপতি জাহিদ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক খালেদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল আহমদ, ব্যবসায়ী অজিম আহমদ কাওছার, হেদায়েতুল ইসলাম, তুষার আহমদ, মেম্বার সাইদ আহমদ, জয়নাল আবেদীন, ডালিম আহমদ, আমির উদ্দিন, নুর উদ্দিন, শিক্ষক বকুল চক্রবর্তী, অসিত চক্রবর্তী প্রমুখ।
শোকসভায় বক্তারা বলেন, অপরিকল্পিত ভাবে গ্যাসের রাইজার স্থাপনের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। বসত ঘর থেকে দূরে যদি গ্যাসের রাইজার স্থাপন করা হত তাহলে হয়তো এ ধরণের বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো না। ঝরে পড়তো না ৬ টি তাজা প্রাণ। বক্তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য উপজেলার বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গত রোববার (১৮ মার্চ) রাত ৩টার দিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষণাবন্দের ক্লাববাজার সংলগ্ন (টিল্লা বাড়ি) লয়লু মিয়ার কলোনিতে বজ্রপাতে গ্যাসের রাইজারে আগুন লেগে গেলে ঘুমন্ত অবস্থায় গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের পনাইরচক গ্রামের মছকন্দর আলীর অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী সেবু বেগম (২২), সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার খালেরমুখ গ্রামের বাবলু মিয়ার অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী তাহমিনা বেগম (৩০), তাঁর শিশু সন্তান তাহসিন আহমদ (২), গোলাপগঞ্জের নোয়াই দক্ষিণভাগ এলাকার মৃত ইসরাইল আলীর পুত্র সেবুল মিয়া (১৬) ও একই এলাকার শাহাব উদ্দিনের পুত্র ইয়া উদ্দিন (১৮) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মঙ্গলবার (২০ মার্চ) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে বাবলু মিয়া (৩৫) মারা যান।
আপনার মন্তব্য