২৯ মার্চ, ২০১৮ ১৬:২০
সিলেটের গোলাপগঞ্জের সিলেট-জকিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে একজন নিহত ও অন্তত ৪০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। এ সময় চালক মোবাইল ফোনে কথা বলায় ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন বাসটির আহত যাত্রী সুমা রানী দাস (২২)।
বৃহস্পতিবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে সিলেটে থেকে ছেড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি বারইগ্রাম যাওয়ার পথে উপজেলার দাঁড়িপাতন এলাকার পৌঁছালে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
আহত সুমা জানান, ড্রাইভার মোবাইলে কথা বলে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। হঠাৎ আরেকটি গাড়ি সামনে এসে গেলে অভারটেকিং করতে গিয়ে বাসটি ডান দিকে খাদে পড়ে যায়।
এ দুর্ঘটনায় নিহত যুবকের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায় নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে যুবকের বয়স ২০ বছর।
জানা যায়, বিকেল ৪ টার দিকে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা বাস (সিলেট-জ-১১-০৮১৩) মুক্তা এন্টারপ্রাইজ গোলাপগঞ্জ চৌমুহনী থেকে যাত্রী উঠানামা শেষে দাঁড়িপাতন পৌছা মাত্র নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা যাত্রীদের উদ্ধার করলেও বাসের নীচে একজন যাত্রীর চাপা পড়েন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ও গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ। তারপর চাপা পড়া যাত্রী কে উদ্ধার করে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়ে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আহতদের যাত্রীদের গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন বিয়ানীবাজার আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর এলাকার বুরহান উদ্দিন (৫০), বিয়ানীবাজার জলঢুপ এলাকার নবিন্দ্র চক্রবর্তী (৪৫), জকিগঞ্জ উপজেলার দেলওয়ার আহমদ(২৮), গোলাপগঞ্জ আমুড়া ইউনিয়নের ঘাগুয়া গ্রামের মৎস্য ব্যবসায়ী আবুল হাসান (৩৫), সরওয়ার হোসেন (৩০), পৌর এলাকার ইয়াগুল গ্রামের মনির উদ্দিনের পুত্র কয়েছ আহমদ (২৫), সুমা রাণী দাস(২২), কুলসুমা বেগম (২৮), ছিদ্দিকা বেগম (১৮), তৌয়বুন বেগম(২৫), ফাহিমা আক্তার (২৬), লিজা আক্তার(১০), সেলিম আহমদ (৪০), লিলি বেগম (৩৮), সাবেরা বেগম(২৪), শহিদুর রহমান (২২), সুমা বেগম (১৭), রাহেলা আক্তার (২০), রাহি আহমদ (১০), সেলিম আহমদ (৪৫), মেরিন বেগম (২৩) পাকি মিয়া (৫০)।
এ ঘটনায় প্রায় আধাঘণ্টা ধরে সিলেট-জকিগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম ফজলুল হক শিবলী ১ জন যাত্রী মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আপনার মন্তব্য