০৩ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:২৪
চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এবং এ চক্রের সদস্যদের প্রতিহত করতে নগরীতে গোয়েন্দা নজরদারিসহ বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করেছে র্যাব-৯।
তারই ধারাবাহিকতায় নগরীর সবকয়টি পরীক্ষাকেন্দ্রসহ সিলেট বিভাগের প্রত্যেকটি জেলার সকল কেন্দ্রে র্যাব সদস্যদের বিশেষ নজরদারি লক্ষ্য করা যায়।
বিশেষ এ নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনার নেতৃত্বে রয়েছেন র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ (র্যাব) সিলেটের অধিনায়ক লে: কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ।
এ ব্যাপারে র্যাব-৯ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্যরাও এক ধরনের সন্ত্রাসী। এই প্রশ্ন সন্ত্রাসীদের অবশ্যই জঙ্গিদের মতো করেই নিশ্চিহ্ন করবে র্যাব।
তিনি আর বলেন, প্রশ্ন ফাঁস চক্রকে ঠেকাতে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো দরকার। এ লক্ষ্যে র্যাব -৯, বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও পরীক্ষা কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের সাথে মতবিনিময় করছে এবং পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে র্যাবের বিশেষ টহল এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য সূত্রে আরো জানা যায়, প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে গত ১৫ দিন ধরেই পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ ফেসবুক, ভাইবার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপসহ নানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাইবার টহল চালিয়ে আসছে। প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্রকে ধরতে পুলিশ, সিআইডি ও র্যাব কর্মকর্তারা নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন।
নজরদারির মধ্যে নেওয়া হয়েছে দেশের মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও। ছাপাখানা থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত সবখানেই রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নজরদারি। শুধু এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।
এরই মধ্যে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে বৃহস্পতিবার থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও নানা কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
আপনার মন্তব্য