শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা

২০ জানুয়ারি, ২০১৫ ১৫:৫২

শ্রীমঙ্গলকে ম্যালেরিয়ামুক্ত রাখতে কীটনাশকমুক্ত মশারী বন্টন করা হবে

বাংলাদেশ সরকারের ম্যালেরিয়া কন্টোল প্রোগ্রাম এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে

জাতীয় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর আওতায় ম্যালেরিয়াপ্রবণ ১০টি জেলার ঝুঁকিপূর্ণ এবং সীমান্তবর্তী গ্রামে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১২ লক্ষ ৯০ হাজার কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। বেসলাইন সার্ভে এবং স্বাস্থ্যকর্মীর বাড়ী বাড়ী পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামে কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী বিতরণের জন্য খানা বাছাই করা হয়েছে। কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী বিতরণের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ন এবং সীমান্তবর্তী গ্রামে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি খানায় সর্ব্বোচ্চ ২টি কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী বিতরণ করতে হবে।

তবে ২০১৩ সালে যেসব খানায় ১টি কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী বিতরণ করা হয়েছিল সে সকল খানায় বর্তমানে কোন কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী দেয়া যাবে না। মনে রাখতে হবে যে প্রতিটি খানা যেন কমপক্ষে একটি কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী পায়। গর্ভবতী মহিলা, ৫ বছরের কম বয়সী শিশু, গরীব এবং যারা জঙ্গলে কাজ করে বা জুমচাষী সেসব পরিবারকে মশারী বিতরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বাংলাদেশ সরকারের ম্যালেরিয়া কন্টোল প্রোগ্রাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালী ঢাকা শ্রীমঙ্গল উপজেলায় জাতীয় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর আওতায় ম্যালেরিয়াপ্রবণ শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৯টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং সীমীন্তবর্তী গ্রামে ৩৯,০০০ কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শ্রীমঙ্গল উপজেলার ১। মির্জাপুর ইউনিয়নে ৪০৬৩টি কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী, ২। ভুনবীর ৮০৮৮টি, ৩। শ্রীমঙ্গল ৫০০টি, ৪। কালাপুর ৩১৭৪টি, ৫। রাজঘাট ৮২৬৩টি ৬। আশিদ্রোণ ২১৮টি ৭। সিন্দুরখান ৫০৯৬টি ৮। কালীঘাট ৩৩৩১টি ৯। সাতগাঁও ৬২৬৭টি মোট ৩৯ হাজারটি কীটনাশকযুক্ত দীর্ঘস্থায়ী মশারী বিতরণ করা হবে। উল্লেখ্য প্রতিটি মশারীর মূল্য এক হাজার পাঁচশত টাকা।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত