২৬ মে, ২০১৬ ১৭:০৬
পাকিস্তানে নজরিয়াতি কাউন্সিল নারীর সুরক্ষার জন্য খসড়ার বিধান করা হয়েছে সেখানে স্বামীর কথা না শুনলে স্ত্রীকে `হালকা মার` দেয়া যেতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়।
পাকিস্তানে নজরিয়াতি কাউন্সিল ইসলামী আদর্শকে সমুন্নত রাখতে কাজ করে বলে সেদেশের প্রভাবশালী সংবাদপত্র ডন জানিয়েছে।
ডন আরও জানিয়েছে , "এই আইনে বলা হয়েছে, স্ত্রী স্বামীর আদেশ পালন না করলে, তার কথামতো পোশাক না পরলে, স্বামীর চাহিদামত যৌন সঙ্গম না করলে, সঙ্গমের পর বা ঋতুকালীন সময়ে গোসল না করলে স্বামী তাকে হালকাভাবে প্রহার করতে পারবে।"
ইসলামী নজরিয়াতি কাউন্সিল পাকিস্তানে একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এর ২০ জন সদস্য রয়েছেন। এই কাউন্সিলের দায়িত্ব ইসলামী বিধি-বিধান সম্পর্কে পাকিস্তানের সংসদকে পরামর্শ দেয়া। তবে সংসদ এসব সুপারিশ বিবেচনা করতে বাধ্য নয়।
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সরকার ২০১৫ সালে সহিংসতার হাত থেকে নারীদের রক্ষার জন্য একটি বিশেষ আইন তৈরির প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু `ইসলাম-বিরোধী` আখ্যা দিয়ে নজরিয়াতি কাউন্সিল সেই খসড়া আইনটিকে খারিজ করে দেয়।
পরে তারা নিজেরাই এ সম্পর্কে আইনের খসড়া তৈরি করে সংসদের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করে।
এই প্রস্তাবিত আইনে স্ত্রীকে পেটানোর আরও কিছু পরিস্থিতি বর্ণনা করা হয়েছে: স্ত্রী যদি হিজাব না পরে, বেগানা মরদের সাথে কথা বলে, এমন জোর গলায় কথা বলে যে অচেনা পুরুষ তার গলার স্বর শুনতে পারে, এবং স্বামীর অনুমতি ছাড়াই যদি কাউকে অর্থ সাহায্য দেয়। তাহলে তাকে স্বামী প্রহার করতে পারবে।
আপনার মন্তব্য