সিলেটটুডে ডেস্ক

১৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৫:৪০

কাসেমীর মৃত্যু নিয়ে হাসপাতাল ও হেফাজতের দুই দাবি

হেফাজতে ইসলাম ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব শায়খুল হাদিস নূর হুসাইন কাসেমীর মৃত্যু নিয়ে হাসপাতাল ও হেফাজতের পক্ষ থেকে দুইধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার কথা; কিন্তু হেফাজতের প্রেসসচিবের দাবি আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না।

রোববার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মারা যান নূর হুসাইন কাসেমী। ইউনাইটেড হাসপাতালের গণসংযোগ কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান শুভ জানান করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর তথ্য।

হেফাজত মহাসচিবের প্রেস সচিব মাওলানা মুনির আহমেদ দাবি করে আসছিলেন যে তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন। এছাড়া তার ফুসফুসে আগে থেকেই সমস্যা ছিল।

মুনির আহমেদ এর আগে জানান, শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই হুজুরের অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। তার উন্নতির ধারাটা অব্যাহত আছে। কার্বন-ডাই অক্সাইডের মাত্রা কমছে। শুক্রবার দুপুরে মেডিক্যাল বোর্ড নতুন দুটি অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েছে। তার কার্যকারিতা কতটা হচ্ছে, সেটা আজ হয়তো বোঝা যাবে। হুজুরের লাংকের ইনফেকশন ৪-৫ বছরের পুরনো। এখন সেই ইনফেকশন জটিল পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে। তার করোনা পরীক্ষার রেজাল্ট নেগেটিভ ছিল। গত ১ ডিসেম্বর ঠান্ডাজনিত অসুস্থতার কারণে ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কাসেমী রাজধানীর বারিধারার ঢাকা জামিয়া মাদানীয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক। তিনি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের একাংশের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

কাসেমী অসুস্থ থাকায় ভাস্কর্য ইস্যুতে গত ৫ ডিসেম্বর তাকে বাদ দিয়েই বৈঠক করে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক আলেমরা। বৃহস্পতিবার হেফাজতের সংবাদ সম্মেলনেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

২০১০ সালে হেফাজতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পর থেকে কাসেমী হেফাজতের ঢাকা মহানগর শাখার আমিরের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সংগঠনের আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর গত ১৫ নভেম্বরের সম্মেলনে তাকে কেন্দ্রীয় মহাসচিব করা হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত