১৬ নভেম্বর, ২০১৫ ১৫:৩৮
বর্তমানে প্রচলিত ১ ও ২ টাকার মুদ্রার সঙ্গে ৫ টাকার মুদ্রা প্রচলনের দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
যা এতদিন ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বে।
রোববার ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ কয়েনেজ অর্ডার সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে পাসের জন্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত উপস্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
গত ৮ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে তুলেছিলেন অর্থমন্ত্রী। পরে সেটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল।
বর্তমানে শুধু ১ ও ২ টাকা পর্যন্ত মুদ্রা সরকার বের করে। দুই টাকার পাশাপাশি এক টাকা, ৫০ পয়সা, ২৫ পয়সা, ১০ পয়সা, পাঁচ পয়সা, ১ পয়সার মুদ্রা সরকার ইস্যু করলেও অনেক মানের মুদ্রাই বর্তমানে বাজারে নেই। ৫ টাকা থেকে শুরু করে উপরের সব নোট বের করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
৫ টাকার ধাতব মুদ্রা ও কাগজে নোট উভয়ই রয়েছে বাজারে। এখন ৫ টাকাও সরকারি মুদ্রায় রূপান্তরিত হল।
এই পদক্ষেপের কারণ ব্যাখ্যা করে অর্থমন্ত্রী ১৯৮৯ সালে ২ টাকার মুদ্রাকে সরকারি মুদ্রা করার তথ্য তুলে ধরে বলেন, “প্রায় ২৬ বছর অতিবাহিত হয়েছে। ২ টাকার ক্রয় ক্ষমতাও আগের চাইতে অনেক হ্রাস পেয়েছে বিধায় বর্তমানে উক্ত আইনের অধিকতর সংশোধনের মাধ্যমে ৫ টাকার নোটকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে।”
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের মোট অর্থের জোগান অপরিবর্তিত (সরকারের নোট/কয়েন যতটা বাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট/কয়েন ততটা কমবে) থাকবে বলে মূল্যস্ফীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন মুহিত।
অর্থমন্ত্রী জানান, ১৯৭৪-৭৫ সালে বাজারে প্রচলিত মোট অর্থের মধ্যে সরকারি মুদ্রার পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ, যা ২০১৩-১৪ অর্থবছর শেষে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশে নেমে এসেছে।
৫ টাকা মূল্যমানের নোট ও কয়েনগুলো সরকারি মুদ্রায় রূপান্তর হলে সরকারি মুদ্রার পরিমাণ বাজারে প্রচলিত মোট মুদ্রার এক দশমিক ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে বলেও জানান তিনি।
আপনার মন্তব্য