সিলেটটুডে ডেস্ক

২২ নভেম্বর, ২০১৫ ১১:২৪

সাকা’র জানাজায় ছিলেন না ভাই গিয়াস কাদের, গায়েবানায় অংশ নেবেন

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর জানাজা রাউজানের গহিরায় গ্রামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন না তার দুই সহোদর বিএনপি নেতা গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামালউদ্দিন কাদের চৌধুরী। এ নিয়ে উপস্থিত মানুষদের মধ্যে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে, এ নিয়ে নানা কানাঘুষাও করছেন অনেকে।

রোববার (২২ নভেম্বর) সকালে পৌর এলাকার মধ্য গহিরায় গ্রামের বাড়ি ‘বাইতুল বিল্লালে’র উঠানে জানাজায় ইমামতি করেন হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী।

এ সময় সাকার পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ স্বজনরা উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না তার আপন দুই ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামাল উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

জানাজায় অংশ নেননি সাকার চাচাতো ভাই ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীও। তবে তার ছেলে এবিএম ফয়েজ কাদের চৌধুরী ছিলেন সেখানে।

জানা যায়, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, ‘যাইনি, তবে বিকেলে গায়েবানা জানাজা আছে, সেখানে অংশ নেবো।’

সাকা চৌধুরীরা চার ভাই ছিলেন। এরমধ্যে সাকাই সবার বড়। তার একভাই সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরী গত এপ্রিলে মারা গেছেন। গিয়াস কাদের বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও জামাল কাদের রাজনীতি করেন না। গিয়াস বর্তমানে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর সাকা চৌধুরীকে ফাঁসির দণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এ রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরের ২৯ অক্টোবর আপিল করেন সাকা। তবে সর্বোচ্চ সাজার প্রেক্ষিতে আপিল করেননি রাষ্ট্রপক্ষ। গত ১৮ নভেম্বর সেই আবেদন খারিজ করে ফাঁসির দণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

শনিবার রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চান সাকা। কিন্তু ক্ষমা পাননি তিনি।

এদিকে সাকা ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে আরেকটি দায়মুক্তির ইতিহাস রচিত হলো। তার আগে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লা ও চলতি বছরের ১১ এপ্রিল কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত