সিলেটটুডে ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৩:৫৮

যে কারণে মুক্তি মেলেনি পরীমণির

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পরীমণির জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

তবে জামিন পেলেও ওইদিনই কারাগার থেকে মুক্তি পাননি তিনি। মঙ্গলবার রাত ৮টায় কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার হালিমা খাতুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার হালিমা খাতুন বলেন, রাত ৮টা পর্যন্ত নায়িকা পরীমণির জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছায়নি। তাই মঙ্গলবার কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না। কারাগারে তার জামিনের কাগজপত্র পৌঁছালে যাচাই-বাছাই শেষে মুক্তি দেওয়া হবে।

পরীমণির আইনজীবী মজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪৭ ধারা অনুযায়ী মহিলা একটি প্রিভেলেজ পাবেন। যেহেতু পরীমণি একজন নারী, তার দেশে বিদেশে তার পরিচিতি আছে, তার কিছু সিনেমা প্রক্রিয়াধীন আছে, সেগুলোর সিডিউল বিনষ্ট হচ্ছে, তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তার (পরীমণির) চিকিৎসার জন্য এবং এই মামলার কোনো তত্ত্বগত প্রমাণ এখনো আসেনি, তাই আমরা জামিনের আবেদন করেছি। চার্জশিট না হওয়া পর্যন্ত আদালত আমাদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।’

৪ আগস্ট বিকেল চারটার পরপরই বনানীর ১২ নম্বর রোডে পরীমণির বাসায় অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ, মদের বোতলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। এরপর ৫ আগস্ট চার দিন এবং ১০ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর আবার ১৯ আগস্ট এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট আবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর ২২ আগস্ট পরীমণির পক্ষে তার আইনজীবীরা ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করেন। আদালত ১৩ সেপ্টেম্বর জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন। তবে জামিন শুনানির জন্য ২১ দিন পরে দিন ধার্য করায় ওই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন পরিমণি।

পরীমণির জামিন আবেদনের শুনানি ২১ দিন পর ১৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করে মহানগর দায়রা জজ আদালতের দেওয়া আদেশ কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জামিন আবেদনের শুনানি এগিয়ে (১৩ সেপ্টেম্বরের আগে) দুই দিনের মধ্যে তা করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা–ও জানতে চাওয়া হয় রুলে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত