১৬ অক্টোবর, ২০২২ ১৫:১৫
পার্বত্যাঞ্চলে প্রশিক্ষণরত নতুন যে জঙ্গি সংগঠনের খোঁজ মিলেছে সেটি আর পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট বা কেএনএফ ক্যাম্পের অবস্থান পাশাপাশি ছিল বলে ধারণার কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, পার্বত্য এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পার্বত্যাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘কেএনএফ, তারপর সন্তু লারমার একটা বাহিনী রয়েছে, পার্বত্য এলাকায় আরও বাহিনী রয়েছে। এরা সবসময়ই আমাদের সীমান্ত এলাকায় একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি করার জন্য প্রয়াস চালাচ্ছে।’
ঢাকার বঙ্গবাজারে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর কার্যালয়ে রবিবার এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে তিনি বিশ্বের সর্বাধিক উচ্চতার (৬৮ মিটার) টিটিএল গাড়ির উদ্বোধন করেন।
সম্প্রতি নিখোঁজ তরুণদের সন্ধানে নেমে ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ নামে নতুন করে সংগঠিত হওয়া একটি জঙ্গি দলের খোঁজ পাওয়ার খবর দেয় র্যাব। এই জঙ্গি সংগঠনটিকে পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কেএনএফ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলেও তথ্য জানানো হয় র্যাবের পক্ষ থেকে।
এ নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি পার্বত্য এলাকায় প্রশিক্ষণ নেওয়া জঙ্গিদের অবস্থান বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের ক্যাম্পের পাশাপাশি ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
‘আমাদের সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে পুলিশ, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলাতেই রয়েছে। আমাদের পুলিশ, বিজিবি, র্যাব প্রয়োজনে সেনাবাহিনীও সেখানে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আমরা আমাদের এলাকায় থাকতে দিচ্ছি না, তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যখনই টের পাচ্ছি, যে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী কিংবা কোনো জঙ্গি সংগঠন দেশের যে কোনো জায়গায় অবস্থান করছে, আমরা তাদেরকে সরিয়ে দিচ্ছি।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কেএনএফের সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো আমরা দেখছি। যদি কানেকশান পাই সেটা আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। জঙ্গিদের কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছি এবং কয়েকজনকে শনাক্ত করেছি। তাদের কাছ থেকে বিষয়গুলো জেনে আপনাদেরকে জানাতে পারবো।’
আপনার মন্তব্য