সিলেটটুডে ডেস্ক

২১ নভেম্বর, ২০২২ ১৬:৪৮

জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় আরেকটি তদন্ত কমিটি

ঢাকার আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি মইনুল হাসান শামীম ওরফে সিফাত সামির ও মো. আবু ছিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব পালানোর ঘটনায় একজন ডিআইজিকে প্রধান করে ৪ সদস্যের আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

সোমবার (২০ নভেম্বর) পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. মনজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কমিটির প্রধান পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (অডিট) মো. আমিনুল ইসলাম। সদস্য সচিব অতিরিক্ত ডিআইজি (ক্রাইম মেট্রো) মো. হাসানুজ্জামান।  সদস্যরা হলেন— সিটিটিসির ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান ও সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মেট্রো সাউথ) মো. আনিচুর রহমান।

এর আগে রোববার (২০ নভেম্বর) ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারকে সভাপতি করে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, রোববার ঢাকার জজ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে আনসার আল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নিয়ে তাদের সহযোগীরা। এই দুই জনই ২০১৫ সালে বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় এবং জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ছিনিয়ে নেওয়া দুই জঙ্গির মধ্যে একজন মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান (২৪)। সে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার মাধবপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। আর অপর জন আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব (৩৪)। সে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেটশ্বর গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে।

সন্ত্রাস দমন ট্রাইবুনালের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর গোলাম সারোয়ার খান জাকির জানান, রবিবার  সকালে আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের হাজতখানায় রাখা হয়। হাজতখানা থেকে তাদের সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের মোহাম্মদপুর থানার একটি মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি হয়। শুনানি শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে অজ্ঞাতনামা সাত থেকে আট জন পুলিশের দিকে স্প্রে জাতীয় কিছু ছুড়ে মেরে আসামিদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত