২০ এপ্রিল, ২০১৬ ০৯:১৭
নীলফামারীর সৈয়দপুরে মাত্র পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে তৃতীয় শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় এক প্রভাবশালী।
কিন্তু তা ব্যর্থ হওয়ায় সোমবার রাতে রেল কর্মচারী আলী হাসান সুজনকে (২৫) আসামি করে সৈয়দপুর থানায় মামলা করেছে ধর্ষিতা শিশুটির বাবা। মঙ্গলবার অভিযান চালিয়েও সুজনকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
জানা যায়, সৈয়দপুর উপজেলা শহরের মিস্ত্রীপাড়া নবীনগর মহল্লায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন ওই শিশুর বাবা। তিনি পেশায় একজন রিক্সা চালক।
পহেলা বৈশাখ বিকালে একই মহল্লার মৃত হায়দার আলীর ছেলে রেল কর্মচারী আলী হাসান সুজনের বাড়িতে শিশুটি টেলিভিশন দেখতে যায়। এ সময় তাকে একা পেয়ে সুজন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তার চিৎকারে ধর্ষক সুজন পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
পরে শিশুটিকে প্রথমে সৈয়দপুর একশ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
এর পর ঘটনাটি ধামা চাপা দিতে ওই দিন রাতেই স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী সালিশ বৈঠকের আয়োজন করে। বৈঠকে উপস্থিত ধর্ষক সুজনকে প্রভাবশালীরা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেয়। কিন্তু ধর্ষিতা শিশুর পরিবার এ টাকা গ্রহণে অস্বীকার করে বিচার দাবি করে।
এক পর্যায়ে সৈয়দপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন ওই শিশুর বাবা। সৈয়দপুর থানার ওসি সৈয়দ আমিরুল ইসলাম মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিকে ধরতে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।
সূত্র: যুগান্তর।
আপনার মন্তব্য