১৩ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:১২
আগামী ৩ বছরের জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ অক্টোবর) জেনেভাভিত্তিক এ কাউন্সিলের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে গোপন ও প্রকাশ্য ব্যালটের মাধ্যমে বাংলাদেশ সদস্য দেশগুলোর ১৭৮ ভোট পেয়েছে। ইউএনএইচআরসি’র সদস্য দেশ ১৯৩টি।
মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য হয়ে আগামী ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ দায়িত্ব পালন করবে।
শেষবারের মতো বাংলাদেশ ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য হয়ে দায়িত্ব পালন করেছিল।
জাতিসংঘেরও সদস্য থেকে ৪৭টি দেশ নিয়ে এই কাউন্সিল গঠিত হয়। এ সকল দেশ নির্বাচনের মাধ্যমে কাউন্সিলের সদস্য হয়ে থাকে।
এই নির্বাচনের চারদিন আগে ইউএন ওয়াচসহ বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থার বিরোধিতার মুখে পড়ে বাংলাদেশ। গত মঙ্গলবার ইউএন ওয়াচ, হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন ও র্যাওয়েল ওয়ালেনবার্গ সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস যৌথ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। অভ্যন্তরীণ মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সংস্থাগুলো জানায়, বাংলাদেশ জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপদে প্রতিদ্বন্বিতার অযোগ্য।
বাংলাদেশসহ অযোগ্য দেশের তালিকায় ছিল বাহরাইন, ফিলিপাইন, ক্যামেরুন, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়া।
জেনেভা ভিত্তিক এই সংস্থার এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সদস্য হওয়ার জন্য বাংলাদেশ ছাড়াও নির্বাচন করে বাহরাইন, ফিজি, ভারত ও ফিলিপাইন।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬০/২৫১নং রেজ্যুলেশন অনুযায়ী সদস্য দেশগুলোর মানবাধিকারের সুরক্ষা ও গুণগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সন্তোষজনক নয় বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ এশিয়ান গ্রুপে সদস্যপদে নির্বাচনের অযোগ্য।
২০০৬ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল গঠিত হয়। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সমুন্নত ও সুরক্ষিত রাখা জেনেভা ভিত্তিক এই কাউন্সিলের লক্ষ্য। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ৪৭টি দেশ তিন বছরের জন্য সংস্থার সদস্য নির্বাচিত হয়ে থাকে।
আপনার মন্তব্য