সিলেটটুডে ডেস্ক

৩০ জুন, ২০১৯ ১৯:৫৪

রিফাত হ্ত্যার ঘটনায় ৭ জন আটক হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যায় জড়িত সাতজনকে আটক করা হয়েছ। জড়িত সবাই ধরা পড়বে। আমাদের কাছে অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য বিষয় নয়। অপরাধীর অপরাধই বিবেচ্য বিষয়। আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রিফাত হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অপরাধীদের ধরার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ তৎপর রয়েছে। এরই মধ্যে এজাহারভুক্ত সাতজনকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। কয়েকজন রিমান্ডে রয়েছে। এজাহারভুক্ত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে। যেকোনো সময় অপর আসামিরাও ধরা পড়বে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। কারো আশ্রয় প্রশ্রয়ে থেকে কেউই রেহাই পাবে না।

গত বুধবার বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। হামলার পর শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাৎক্ষণিক তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ভর্তির এক ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রিফাতের মৃত্যু হয়।

এদিকে শরীফকে কুপিয়ে হত্যার একটি ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায়, সন্ত্রাসী নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী ধারালো দা দিয়ে একের পর এক কোপাতে থাকে রিফাত শরীফকে। এ সময় রিফাত শরিফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি তাদের বারবার প্রতিহত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

ঘটনাটি পুলিশের ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতায় ছিল। নিহত রিফাত শরীফের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম আবদুল হালিম দুলাল শরিফ। বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে রিফাত।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত