সিলেটটুডে ডেস্ক

২৬ আগস্ট, ২০১৫ ২৩:৪৫

মানবকণ্ঠও ছাড়লেন সাংবাদিক পীর হাবীব

দৈনিক মানবকণ্ঠের উপদেষ্ঠা সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিনিয়র সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান। ফেসবুকে দেয়া পোষ্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারির শুরুতে পীর হাবীবুর রহমান বাংলা দৈনিক ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ থেকে ইস্তফা দেন। পরে একই মাসের মাঝামাঝিতে যোগ দেন মানব কণ্ঠে।

ফেসবুক পোষ্টে তিনি লিখেন-

প্রতিদিনের পর যে দৈনিকটিতে যোগ দিয়েছিলাম সেখান থেকেও আজ বিদায় নিলাম। আমি মুক্ত স্বাধীন মানুষ। আমার ছেলেবেলা থেকেই আমি বৃত্ত ভাঙ্গতে শিখেছি। পরিবার আপনজনরা আমাকে বরাবর বলেছেন, আর পাগলামি না, আর অস্হিরতা না, এবার একটু মন দাও। এবার একটু স্হির হও।

বেকার মানুষের প্রতি সবচেয়ে বেশি নির্দয় নারীর হৃদয়। চাকরি বাকরি নাই, তোমার কোন দাম নাই। নারীরা হয়তো দাস পছন্দ করে। না হয় ছাগলের হাটে কুরবানির সময় নারী ক্রেতা কেন এত বেশি। যাক, আমি কটাদিন একটু নিজের মতোন গোছাবো। আমার শক্তির উৎস আমার ভিতর থেকে আসা লেখা।

মানুষ আমার শক্তির জায়গা, মানুষ ও দেশকে ভালোবাসি। আমার পেশীতে নয়, কলমেই শক্তি। মানুষ ও দেশের কথা বলে আমার কলম। যতদিন বাঁচবো মানুষের জন্যই লিখবো। যতদিন বাঁচি মুক্ত কন্ঠেই কথা বলবো। যতদিন বাঁচি মাথা উঁচু করেই হাটবো, চোরকে চোর, লুটেরাকে লুটেরা, দালালকে দালাল, দাসকে দাস, দলকানাকে দলকানা, দল দাসিদের দলদাসি, তদ্বিরবাজ, তেলবাজ, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ সবাইকেই যার যার নামেই ডাকবো।

একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন বুকে নিয়ে আমার পথ হাটা চলবে,কবি গুরুর ভাষায় বলি, সত্য সে যে কঠিন, কঠিনেরে ভালোবাসিলাম আমি, কারণ সে করেনা বঞ্চনা। বিদ্রোহী কবির ভাষায় বলি অমর কাব্য লিখিও বন্ধু তোমরা যারা সূখে আছো, দেখিয়া শোনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়াছি তাই মুখে যাহা আসে তাহাই কহি।
ভলতেয়ারের কথাটিই হৃদয়ে বাধি, আমি তোমার মতের সঙ্গে একমত নাও হতে পারি, কিন্তু তোমার মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিতে পারি। আমার সমালোচকগণ আনন্দে থাকুন, আমার প্রিয় পাঠকগণ, অপেক্ষা করুন। বেঁচে থাকলে লিখবো। আর পাঠক ঠকানো লিখা আমি লিখবোনা, কোনদিন লিখিওনি, মতলববাজি লেখার প্রশ্নই আসেনা। ফরমায়েশি লিখা টেমসের তীর থেকে আসুক, সুরমা বুড়িগঙ্গার তীর থেকে নয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত