০১ জুন, ২০২৬ ১১:৩৮
জামায়াতে ইসলামীতে অনেক গুপ্ত চাঁদাবাজ আশ্রয় নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ‘আপনারা চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে হাদিয়া বা ইয়ানতের মতো আরবি শব্দ ব্যবহার করে ওটাকে একটা কাভার দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বহু জায়গায় ধমক ও থ্রেট দিয়ে এই হাদিয়াবাজি-ইয়ানতবাজি আপনারা কম করছেন না।’
রোববার (৩১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘সাংস্কৃতিক আগ্রাসন প্রতিরোধে জিয়া’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করা হয়।
জামায়াত নেতাদের সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আপনারা (জামায়াতে ইসলামী) একটা আরবি শব্দ ব্যবহার করেন। চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে চাঁদাবাজি না বলে আপনারা সেটাকে হাদিয়াবাজি করেন, ইয়ানতবাজি করেন, আরবি শব্দ দিয়ে ওটাকে একটা কাভার দেওয়ার চেষ্টা করেন। এই হাদিয়াবাজি-ইয়ানতবাজি আপনারা কম করেন না এবং বহু জায়গায় প্রমাণ আছে যে ধমক দিয়ে থ্রেট করে করছেন; আমি তো দুই-তিনটার নাম মাত্র বললাম, অসংখ্য আছে।’
তিনি বলেন, ‘ওনারা বড় বড় কথা বলছেন। মিরসরাইয়ে ফেনী নদীর বালু তুলতে গিয়ে জামায়াতের দুই নেতা জাহাঙ্গীর ও রবিউল ধরা পড়েছিলেন। ফেনীতে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নামে এক রোকন নেতা চাঁদা নিয়েছেন, যা পত্রপত্রিকায় এসেছে। রাজনৈতিক দলে এমন লোক ঢুকতেই পারে, কিন্তু দল ব্যবস্থা নিচ্ছে কি না, সেটাই দেখার বিষয়।’
জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল ইসলাম সানির সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব জাকির হোসেন রোকনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন উজ্জ্বল, সহসম্পাদক সাঈদ সোহরাব, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, জাসাসের লিয়াকত আলী লাকি, ফেরদৌস ফকির, জাবেদ আহমেদ কিসলু, খালেদুজ্জামান জুয়েল, ফরহাদ হোসেন নিয়ন, রাফিজা আলম লাকিসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।
আপনার মন্তব্য