১২ জানুয়ারি, ২০১৬ ১০:২২
২০০৯ থেকে ২০১২-টানা চারবার। আর ২০১৫ সালেরটা মিলিয়ে এ নিয়ে পাঁচবার বর্ষসেরার ‘সোনার বল’ জিতলেন লিওনেল মেসি। অনন্য এই কীর্তি গড়ার পর মুহূর্তটা বার্সেলোনার এই তারকার কাছে স্বপ্নের চেয়েও বেশি কিছু পাওয়ার আনন্দে ভরা।
গতবার এই মঞ্চেই দর্শকের আসনে বসে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর মুকুট জেতা দেখেছিলেন মেসি। টানা দুইবার ব্যালন ডি’অর জেতা রোনালদোকে এবার পেছনে ফেলে মুকট পুনরুদ্ধারের আনন্দে ভাসছেন আর্জেন্টিনার এই ফরোয়ার্ড। এবার মেসি পেছনে ফেলেছেন বার্সেলোনা সতীর্থ নেইমারকেও।
সোমবার সুইজারল্যান্ডের জুরিখে জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে পুরস্কার হাতে নিয়ে মেসি বলেন, “(গতবার) দর্শকের সারিতে বসে ক্রিস্তিয়ানোকে জিততে দেখার পর আবার আরেকটি ব্যালন ডি’অর জেতা, আবার এখানে এই মঞ্চে ফিরে আসা -এটা আমার জন্য খুবই বিশেষ একটা মুহূর্ত।”
পঞ্চমবারের মতো সোনার বলটি হাতে নেওয়ার উচ্ছ্বাস আর্জেন্টিনা অধিনায়কের, “এটা আমার পঞ্চম, অবিশ্বাস্য। এটা ছোটোবেলায় আমার দেখা স্বপ্নের চেয়েও অনেক বেশি।”
ক্লাবের হয়ে গত বছরটা দুর্দান্ত কাটে ২৯ বছর বয়সী তারকার। গত মৌসুমে বার্সেলোনাকে ‘ট্রেবল’ জেতাতে অসাধারণ অবদান রাখা মেসি ক্লাবের হয়ে পরে আরও দুটি শিরোপা জেতেন। কোপা দেল রে, লা লিগা, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, উয়েফা সুপার কাপ ও সবশেষ গত ডিসেম্বরে বার্সেলোনা জেতে ক্লাব বিশ্বকাপ।

দুই মাস চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকলেও গেল বছরে সব মিলিয়ে ৬১ ম্যাচ খেলে ৫২ গোল করেন মেসি। সতীর্থদের দিয়ে ২৬টি গোল করানও তিনি।
নিজের এত প্রাপ্তির জন্য সতীর্থদের ধন্যবাদ জানাতে তাই ভোলেননি মেসি। কৃতজ্ঞতার বাধনে বেধেঁছেন যারা ভোট দিয়েছেন, তাদেরও।
“আমি সবাইকে ধন্যবাদ দিতে যাই যারা আমার জন্য ভোট দিয়েছেন। আমি আমার সতীর্থদের ধন্যবাদ দিতে চাই।”
জুরিখের মঞ্চে এসে যেন শৈশবেও ফিরে গেলেন মেসি। হরমোনজনিত সমস্যা, কত শত প্রতিবন্ধকতা তিনি পেরিয়েছেন ফুটবল পায়ে নিয়ে! তাই এই খেলাটার প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানালেন মেসি।
“আর সবশেষে আমি ফুটবলকে ধন্যবাদ দিতে চাই আমাকে সব কিছু দেওয়ার জন্য, সেটা ভালো বা খারাপ যেটাই হোক। কারণ এটা আমাকে শিখিয়েছে, গড়ে তুলেছে।
বিডিনিউজ।
আপনার মন্তব্য