২৮ মার্চ, ২০১৫ ০০:১৯
২০১৫ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের আর কয়েকঘন্টা বাকি। এরমধ্যে শুরু হয়ে গেছে নানান হিসেব নিকেশ। মাঠ থেকে পিচ আলোচনা চলছে সব কিছু নিয়েই। সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার মাঠ নিয়ে। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এমসিজি) নিয়ে চলছে আলোচনা-বিশ্লেষন , নিউজিল্যান্ডের ছোট মাঠের তুলনায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাঠ এমসিজি যেন মহাসমুদ্র। পুকুরের মাছকে সমুদ্রে ফেলে দিলে যা হয় নিউজিল্যান্ডেরও কি সে অবস্থা হবে? কিউই পেসার টিম সাউদি অবশ্য এ কথা মানতে নারাজ। সাফ জানিয়ে দিলেন এতে হিমশিম খাবে না তাঁর দল।
সাউদি বলেন, "এটি একটি বড় ক্রিকেট মাঠ। অনেক দর্শক হবে ফাইনালে। চিৎকার-চেচামেচি হবে। প্রায় ১ লাখ দর্শক দুই দলের হয়ে গলা ফাটাবে। ফাইনালটি হবে রোমাঞ্চকর-উপভোগ্য।"
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাউদি আরও বলেন, ‘আমরা মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের আয়তন নিয়ে ভাবছি না। এতোদিন ধরে যেই ফাইনালের স্বপ্ন দেখে আসছি, সেই স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে মোকাবেলা করার জন্য সবাই মুখিয়ে রয়েছি।’
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এমসিজি) নিয়ে যে পরিমাণ আলোচনা-বিশ্লেষন চলছে, তাতে উলটো রথ ধরলেন নিউজিল্যান্ডের পেসার টিম সাউদি। অজিদের বিশ্লেষন, মাঠটা বিশাল। এতে হিমশিম খাবে কিউই হিটাররা।
তবে সাউদির মন্তব্য, এটি একটি বড় ক্রিকেট মাঠ। অনেক দর্শক হবে ফাইনালে। চিৎকার-চেচামেচি হবে। প্রায় ১ লাখ দর্শক দুই দলের হয়ে গলা ফাটাবে। ফাইনালটি হবে রোমাঞ্চকর-উপভোগ্য।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সাউদি বলেন, ‘আমরা মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের আয়তন নিয়ে ভাবছি না। এতোদিন ধরে যেই ফাইনালের স্বপ্ন দেখে আসছি, সেই স্বপ্ন বাস্তবে ধরা দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে মোকাবেলা করার জন্য সবাই মুখিয়ে রয়েছি।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সাবেক অজি ওপেনার ম্যাথু হেইডেন বলেন মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের আকৃতি নিয়ে প্রথম কথা তোলেন।
তিনি মনে করেন, এ পর্যন্ত ছোট গ্রাউন্ডেই দাপট দেখিয়েছে কিউই ব্যাটসম্যানরা। মেলবোর্নে ফাইনাল তাদের বাউন্ডারি বা ওভার বাউন্ডারি মারতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে।
পরপরই টুইটার এবং মাইস্পেসে হেইডেনের এ মন্তব্য নিয়ে হাস্য-কৌতুক শুরু করে নিউজিল্যান্ড সমর্থকরা। রবিবার নিজেদের মাঠে অস্ট্রেলিয়া কিছুটা হলেও এগিয়ে থেকে শুরু করবে। এদিকে, ২০০৯ সালের পর থেকে মেলবোর্নে খেলা হয়নি নিউজিল্যান্ডের। তবে এটা নিয়ে কোনো চিন্তা নেই কিউইদের।
দলের খেলোয়াড়দের এমন বড় মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলেই জানান টিম সাউদি।
সাউদি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে খেলি না। তবে মেলবোর্নে খেলা সর্বশেষ ম্যাচ থেকে আমরা ভালো স্মৃতিও নিতে পারি। সেই ম্যাচে আমরা তাদের ৬ উইকেটে হারিয়েছিলাম।’
সুইংয়ে পারদর্শী টিম সাউদি চলতি বিশ্বকাপে ২৭.১৩ গড়ে ১৫ উইকেট লাভ করেছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ার-সেরা ৩৩ রানে ৭ উইকেট নিয়ে একাই গুড়িয়ে দিয়েছেন ইংলিশদের। তার সতীর্থ ট্রেন্ট বোল্ট ২১ উইকেট নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে সবার ওপরে রয়েছেন। দুজনের জুটিটাও দারূণ জমেছে বিশ্বকাপে।
এই ব্যাপারে টিম সাউদি বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে সে (বোল্ট) যা করেছে তা এককথায় অসাধারণ। আমাদের দুজনের পার্টনারশিপও দারুণ হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও যদি আমরা প্রত্যাশামতো সুইং করতে পারি তবে তাদের বিপক্ষে বিদজ্জনক হয়ে উঠতে পারবো।’
আপনার মন্তব্য