নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ অক্টোবর, ২০১৫ ১৮:৪৫

কামরুলের আবেদন খারিজ, শেষ হলো সাক্ষ্য গ্রহণ

সিলেটে শিশু রাজন হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদারের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়।

রবিবার মামলার কার্যক্রম চলাকালে প্রথমবারের মতো আদালতে হাজির করা হয় সৌদি পালিয়ে যাওয়া মামলাটির প্রধান আসামী কামরুল ইসলাম। সকালে মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর কামরুলের আইনজীবী আলী হায়দার পুনরায় সকল সাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন জানান।
আবদনে তিনি উল্লেখ করেন, সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণকালে অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন না এবং তাঁর আইনজীবীও ছিলেন না। তাই কামরুলের উপস্থিতিতে পুণরায় সাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন জানান তিনি।

তবে বিকেলে মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধা এই আবেদন খারিজ করে দেন বলে জানান এই আদালতের পিপি মফুর আলী।

মফুর আলী জানান, আদালত আগামী ২০ অক্টোবর আসামীপক্ষের মতামত গ্রহণ ও ২৫ অক্টোবর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ নির্ধারণ করেন।

এরআগে সকালে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে শুরু হয় এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ। এসময় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কামরুলসহ কারাবন্দি থাকা ১১ আসামীকে আদালতে হাজির করা হয়। কামরুলকে হাজির করার সময় উপস্থিত কয়েক শ' জনতা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ফাঁসি ফাঁসি বলে শ্লোগান প্রদান করে তারা।

আদালতের কার্যক্রমের শুরুতে কামরুলকে মামলার অভিযোগপত্র পড়ে শোনান পিপি। এরপর কামরুলের আইনজীবী পুণরায় সাক্ষ্যগ্রহণের আবেদন জানান।

রাজন হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, কামরুল ইসলাম, তার ভাই মুহিদ আলম, আলী হায়দার, শামীম আহমদ (পলাতক), তাজ উদ্দিন আহমদ বাদল, ময়না চৌকিদার, রুহুল আমিন, দুলাল আহমদ, নগরীর জালালাবাদ থানার পূর্ব জাঙ্গাইল গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে ভিডিওচিত্র ধারণকারী নুর মিয়া, ফিরোজ মিয়া, আছমত উল্লাহ, জাকির ওরফে পাভেল ওরফে রাজু (পলাতক) ও আয়াজ আলী।

গত ১৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) কামরুলকে সৌদি আরব থেকে থেকে দেশে নিয়ে আসা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই সিলেট নগরীর কুমারগাঁওয়ে শিশু সামিউল আলম রাজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত