০৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৯:২০
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে বাস চাপায় নারী ও শিশুসহ ৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের সকলেই অটোরিকশার যাত্রী ও চালক। নিহতদের মধ্যে ৩ জন একই পরিবারের সদস্য।
সোমবার বিকেল চারটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাতহাইল এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- নবীগঞ্জ উপজেলার মুড়াউরা গ্রামের আবু তাহেরের স্ত্রী সামিরুল বেগম (২৮), মেয়ে মারিয়া আক্তার (২), আবু তাহেরের ভাইয়ের স্ত্রী হালিমা বেগম (২৫), সাতাহাইল গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে অনন্ত মিয়া (২২), একই গ্রামের লিজা আক্তার (১৯), লতিবপুর গ্রামের কিতাব আলী (৩০)। নিহত বাকি দুই জন পুরুষের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুমিল্লা থেকে সিলেটগামী বিআরটিসি পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৫৫১৮) আউশকান্দি হতে পানিউমদাগামী যাত্রীবাহী দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয় । এতে দুটি অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এসময় একটি অটোরিকশাসহ বাস মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে ৭ জনের মৃত্যু হয়।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল হক ভূইয়া জানান, কুমিল্লা থেকে সিলেটগামী বিআরটিসির একটি বাস নবীগঞ্জের সাতহাইল এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারায়।
এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এর পর গাড়ি দুটিকে টেনে নিয়ে বাসটি খাদে পড়ে যায়। ওই বাসের নিচেই চাপা পড়ে অটোরিকশা দুটি।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনার খর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। এসময় খাদ থেকে ৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দুর্ঘটনার পর পর বিআরটিসির অপর একটি বাস ওই এলাকায় পৌঁছলে বিক্ষুব্ধরা সেটি ভাঙচুর করে। দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা।
এ দুর্ঘটনায় আরও অনন্ত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আপনার মন্তব্য