নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ ডিসেম্বর, ২০১৫ ২০:৪৪

যৌথ অভিযানে সিটি কর্পোরেশনের পানি ও লাইসেন্স শাখা

সিলেট মহানগরীতে অবৈধ পানির সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন এবং ট্রেড লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখা ও লাইসেন্স শাখা যৌথ অভিযানে নেমেছে।

এই লক্ষ্যে বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মোঃ শরীফুজ্জামানের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। এই অভিযানে পানি ও লাইসেন্স শাখার অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা কয়েকটি টিমে বিভক্ত হয়ে মহানগরীর ১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ডে একযোগে অভিযান চালায়।
বেলা ১২টায় মহানগরীর কুমারপাড়া পয়েন্ট থেকে অভিযান শুরু করা হয়। এসময় পানির শাখার টিম এই ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পানির অবৈধ সংযোগ খুজে বের করতে তৎপরতা চালায়। একইসাথে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স খতিয়ে দেখেন লাইসেন্স শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।

এদিকে এবারই প্রথমবারের মতো বকেয়া আদায়ের লক্ষ্যে স্পট কালেকশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। গ্রাহকরা বকেয়া আদায়ে সম্মত হলে তাৎক্ষনিকভাবে তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। এই জমাদান কার্যক্রমে যানবাহনসহ সকল সুবিধা সিটি কর্পোরেশনের তরফ থেকে সরবরাহ করা হয়।

অভিযানকালে ৮টি পানির অবৈধ সংযোগ খুঁজে পাওয়া যায় এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী প্রক্রিয়া গ্রহন করা হয়। এছাড়াও অভিযান চলাকালে ২৬ হাজার টাকা স্পট কালেকশন করা হয় এবং একই সাথে লক্ষাধিক টাকা অবিলম্বে পরিশোধের নিশ্চয়তা গ্রহন করা হয়।

এই ব্যাপারে সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর জানান, বকেয়া পরিশোধে যাতে অহেতুক অবহেলা বা কালক্ষেপণ না করা হয় সেজন্য সিটি কর্পোরেশন স্পট কালেকশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রথম দিনেই এই কাজে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। সম্মানিত গ্রাহকরাও এই কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

পানির শাখার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখা নিত্য নতুন কার্যক্রম গ্রহন করছে জানিয়ে আলী আকবর জানান, গ্রাহকদেরকেও বকেয়া পরিশোধে উদ্যোগী হতে হবে। পানি শাখার এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অভিযানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রকৌশলী এনামুল হক তাপাদার, সুনীল মজুমদার, ডেপুটি ট্যাক্সেসেশন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত