০২ মার্চ, ২০২৩ ১০:৩৯
চলছিল বিয়ের সকল আয়োজন। বর ও এসেছিল কনের বাড়িতে। কিন্তু বাদ সাধলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। তিনি বিয়ে বাড়িতে পুলিশ, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ উপস্থিত হলে উপস্থিত সবাই হতভম্ব হয়ে পড়ে। মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ার পরও মেয়েকে বিয়ে দেয়ার অপরাধে ওই কিশোরীর পরিবারকে দশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করাসহ ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মেয়ের বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা নিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১ মার্চ) বিকেলে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুপ্রভাত চাকমা এই জরিমানা ও মুচলেকা নেন।
ঘটনা ঘটেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউএনও জানতে পারেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামে ১৮ বছরের কম এক কিশোরী বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পরে বিকেলে ঐ বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন তিনি। পরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় ওই কিশোরীর পরিবারকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সাথে সাথে ১৮ বছরের আগে মেয়ের বিয়ে দেবেন না মর্মে তার পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুপ্রভাত চাকমা জানান, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কিশোরীকে তার পরিবার বিয়ে দিচ্ছে জানতে পেরে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে কিশোরীর বিয়ে বন্ধ করি।
তিনি আরও জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কিশোরীর পরিবারকে দশ হাজার টাকা জরিমানা এবং মেয়েকে বাল্যবিবাহ দেবেন না মর্মে মুচলেকা আদায় করা হয়। এছাড়াও তারা তাদের কাজের জন্য অনুতপ্ত ও ভবিষ্যতে এধরনের কাজ থেকে বিরত থাকবেন ও সবাইকে বিরত থাকার পরামর্শ দেবেন বলে অঙ্গীকার করেছেন।
আপনার মন্তব্য