০১ জানুয়ারি, ২০২৪ ২০:১৪
শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ছাগলে মরিচের গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নাঈম মিয়া (১৭) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছেন। নিহত কিশোর উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের মো. বশির আলীর ছেলে।
রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার রনসী গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ টনায় শান্তিগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বাবা। মামলায় ৮ নারী-পুরুষকে আসামি করা হয়েছে।
এদের মধ্যে ইতোমধ্যে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের রনসী গ্রামের মৃত শমছু মিয়ার ছেলে অজুদ মিয়া (৫৫), অজুদ মিয়ার ছেলে ফুল মিয়া(৩০), ইমরাউল কয়েছ সুভাস (২৮) ও জাফরুল মিয়া (২৩), একই গ্রামের মৃত আরজ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৮) ও রফিকুল ইসলাম (৪৫)।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩ টায় রনসী গ্রামে প্রতিপক্ষের মরিচ খেতে নিহতের চাচাতো ভাই আছকন্দর আলীর ছেলে জাবেল আহমদের ৩/৪টি ছাগল ঢুকে যায়। এতে মরিচ ক্ষেতের ক্ষতি হয়। অভিযুক্ত ইমরাউল কায়েছ, তার মা মোছা. ছমিরুন নেছা ও বোন মোছা. শান্তনা বেগম মিলে নিহত শিশোর ও তার পরিবারের লোকজনদেরকে গালমন্দ করতে থাকে। তখন নাইম মিয়া মরিচ ক্ষেতের ক্ষতিপুরণ দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিলে অভিযুক্তরা তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণে হত্যার ভয় দেখিয়ে মরিচ ক্ষেতের পাশ থেকে তাড়িয়ে দেয়। এর আগে তাদের দু’পক্ষের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় এই ঘটনাটি আরও উষ্কে যায়। ছাগলে মরিচ খেত খাওয়াকে উপলক্ষ করে সন্ধ্যায় দেশিয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে গুরুতরভাবে আহত হন নাঈম। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মুক্তাদীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রনসী গ্রামে মারামারির ঘটনায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত ৮ জনের মধ্যে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
আপনার মন্তব্য