১৫ জুন, ২০২৪ ২৩:১৩
পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি মাত্র আর একদিন। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পশুর হাটগুলোতে চলছে শেষ সময়ের কেনাবেচা। তবে এবার অন্য বছরের তুলনায় পশুর হাটগুলোতে ছোট আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি, এরপরই রয়েছে মাঝারি গরুর চাহিদা। বড় সাইজের গরু নিয়ে এসে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যাপারীরা।
স্থায়ী-অস্থায়ী হাটের মধ্যে জগন্নাথপুর বাজার, ভবের বাজার, রসুলগঞ্জ বাজার, রানীগঞ্জ বাজার, মিরপুর বাজার, কেশবপুর বাজারসহ কয়েকটি বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুর ক্রেতা সবচেয়ে বেশি। বিক্রেতাদের মধ্যেও যারা এই আকারের গরু নিয়ে বাজারে এসেছেন তাদের বিক্রি ভালো হচ্ছে।
বিভিন্ন আকারের ও রঙের গরু এসেছে হাটে। প্রচুর বড় গরু এনেছেন বিক্রেতারা। তবে মাঝারি গরুর সংখ্যাটা বেশি। সর্বনিম্ন ৭৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকা এবং সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত দাম হাঁকাতে দেখা গেছে ব্যাপারীদের।
অপরদিকে খাসির দাম আকারভেদে সর্বনিম্ন ১০-১৫ হাজার, আর সর্বোচ্চ জাত ও আকারভেদে ৩০-৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে।
জগন্নাথপুরে ভবের বাজার গরুর হাটে দেখা যায়, বড় গরু বিক্রি হচ্ছে কম।
বিক্রেতারা বলছেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ক্রেতা ছিল কম। শুক্রবার সকাল থেকেই বিক্রি বাড়তে থাকে। জুমার নামাজের পর থেকে ক্রেতা সমাগম আরও বেড়েছে। শনিবার (১৫ জুন) বেচাকেনা বেড়েছে।
ব্যাপারীরা জানান, এবার অধিকাংশ ক্রেতা হাটে ঢুকেই মাঝারি গরু খুঁজছেন। ফলে বড় সাইজের গরুর কী হবে তা নিয়ে তারা এখন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
ফরিদপুর থেকে ভবের বাজার হাটে ১৭টি গরু নিয়ে হাটে এসেছেন সেলিম। তিনি বলেন, একেকটার দাম ১ লাখ ১০ থেকে শুরু করে দেড় লাখ টাকা। কিন্তু বড় গরুর ক্রেতা কম। মাঝারি ও ছোট গরুর চাহিদা বেশি। বড় গরুর যে দাম চাচ্ছি তার অর্ধেক দাম বলছেন ক্রেতারা। ফলে বিক্রি না হলে বড় গরু ফেরত নিয়ে যেতে হবে।
ভবের বাজার কোরবানির পশুর হাটের ইজারাদার হাজী নিজামুল করিম বলেন, আজকের হাটে প্রচুর গবাদিপশু উঠেছে। প্রতি বছরের মত এবারও গরু প্রতি এক হাজার টাকা ও ছাগল প্রতি ৩০০ টাকা হাসিল আদায় করা হচ্ছে। দেশিয় জাতের গরু ছাগল বেশি বিক্রি হচ্ছে।
আপনার মন্তব্য