নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪ জুন, ২০২৪ ২৩:২৮

২৮ জুন থেকে সিলেটে ফের ভারী বৃষ্টির পূর্ভাবাস

ছবি: রেজওয়ান আহমদ

বন্যায় প্লাবিত সিলেট। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পানিবন্দি মানুষ। গত তিনদিন বৃষ্টি না হওয়ায় পানি কিছুটা কমেছে। তবে পানি কমার গতি খুবই শ্লথ। এ অবস্থায় সোমবার সকালে বৃষ্টিতে  সিলেটজুড়ে আতংক দেখা দেয়।

এরমধ্যে আরেকটি দুঃসংবাদ জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ২৮ জুন থেকে সিলেটে আবার ভারী বৃষ্টির পূর্ভাবাস জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বন্যার মধ্যে এমন পূর্ভাবাসে আরও ভীতি ছড়াচ্ছে সিলেটে। ভারী বৃষ্টি হলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া নগরে দেখা দিতে পারে জলাবদ্ধতা।
 
সিলেটে গত তিন দিন বৃষ্টি না হওয়া কিংবা সামান্য বৃষ্টিপাত হলেও প্রতি ঘণ্টায় ১ সেন্টিমিটার করে পানি কমতে শুরু করেছিল। সুরমা, কুশিয়ারা নদীসহ অন্যান্য নদীর সবকটি পয়েন্টেই পানি কমতে থাকে।

তিন দিনে ৪০ থেকে ৫৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত পানি কমে। কিন্তু সোমবার সকালে সিলেটে বৃষ্টিপাতের কারণে থমকে গেছে বিভিন্ন পয়েন্টের পানি প্রবাহ। কোথাও পানি কমা অপরিবর্তিত রয়েছে, আবারও কোথাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে।

সিলেটের আবহাওয়াবিদ সজীব হোসাইন জানিয়েছেন, সোমবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সিলেটে ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।

তিনি জানান, সিলেটে ২৮ জুন থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারী বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির আবার অবনতি হতে পারে। এজন্য আগাম সতর্ক থাকতে বলেছে সিলেট জেলা প্রশাসন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, এখনও সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর চার পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে সকালে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার, দুপুরে ১৯ ও বিকেল ৩টায় একই অবস্থানে পানি উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

তবে সুরমা সিলেট পয়েন্টে সকাল ও দুপুরে ৩৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকেল ৩টায় ২৯ সেন্টিমিটারে গিয়ে দাঁড়ায়। এ ছাড়া কুশিয়ারা নদীর আমলসিদ পয়েন্টে সকালে বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বিকেল ৩টায় পানি বেড়ে ৩৭ সেন্টিমিটারে গিয়ে দাঁড়ায়। কুশিয়ারা ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে সারাদিনই বিপৎসীমার ৯৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত