১৭ জুলাই, ২০২৪ ০০:৫৬
মেয়র মুহিবুর রহমানের বাসভবন থেকে সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার অফিস স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে পৌরসভার অফিস বিশ্বনাথ-খাজাঞ্চী রোডের পূর্ব-জানাইয়ার ‘আলী হোসেন ভবনে’ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে পৌরসভার নতুন এই (ভাড়া করা) অফিস উদ্বোধন করা হয়। এসময় ফিতা কেটে অফিস উদ্বোধন করেন পৌরসভার মেয়র মুহিবুর রহমান।
অফিস উদ্বোধনী আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র মুহিব বলেন, একযুগ আগের মেয়াদোত্তীর্ণ ভবনে পৌরসভার অফিস দিয়েছিলেন তৎকালীন পৌর প্রশাসক (ইউএনও) নুসরাত জাহান। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সাপের উবদ্রব থাকায় বিনা ভাড়ায় জনগনের সুবিধার্থে রামপাশা রোডের আমার বাসাতে অফিস নিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে ঘটলো বিপত্তি। কারণ ইউএনওরা আইন জানেন না। যেখানেই আমি (মেয়র) অফিস করবো সেটাই পৌরসভার অফিস। আর এটাই হচ্ছে আইন। আর এটাকে কেন্দ্র করে রাজনীতি করছে দুর্বৃত্তরা। তারা আমাকে নানাভাবে হয়রানি করছে।
সিলেট-২ আসনের এমপি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীকে ইঙ্গিত করে মেয়র মুহিব বলেন, ক্ষমতাসীনরা জনগনের উপকারের চেয়ে অপকার চায় বেশি। কারণ তারা উড়ে এসে জুড়ে বসে বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরকে দখল করে নিয়েছে। আবার জনগণের চাপের মুখে পড়ে এখান থেকেই একদিন তারা উড়ে লন্ডনে চলে যাবে। কারণ, তারা যা করছে সবই বেআইনিভাবে করছে।
তিনি বলেন, আমার বাসায় অফিস স্থাপন নিয়ে বর্তমান ইউএনও শাহিনা আক্তার আমার সঙ্গে তর্ক করেছেন। কিন্তু তিনি জানেন না, আমি উনার জন্মের আগে থেকেই প্রশাসনে এসেছি। ওই ইউএনও আইন জানেন না। আর আইন না জেনেই আমার বাসায় পৌরসভার অফিস বলে বলে তিনি দু’টি পক্ষ বানিয়ে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করেছেন। যাই হোক নতুন অফিস উদ্বোধন করে আজ আমরা স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলছি।
প্যানেল মেয়র ও পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফজর আলীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কাউন্সিলর মুহিবুর রহমান বাচ্চু, বারাম উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম ও আব্দুল মতিন।
এসময় পৌর নির্বাহী অফিসার মো. বদরুজ্জামান, পৌরসভার কর নির্ধারক সাজেদুল হক, লাইসেন্স পরিদর্শক মোতালেব হোসেন, নকশাকার আশরফুজ্জামান চয়ন, কর আদায়কারী নাজির হোসেন, কার্য-সহকারী জগন্নাথ সাহাসহ পৌরসভার কর্মকর্তা বর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মন্তব্য