সিলেটটুডে ডেস্ক

১৫ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:৫৫

কারিগরি শিক্ষার্থী ৪০শতাংশে উন্নীত করতে চায় সরকার

কারিগরি শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলে দেশকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন নবগঠিত কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আলমগীর শনিবার সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কর্তৃক স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত কারিগরি ও বৃত্তিমুলক শিক্ষার মান উন্নয়ন শীর্ষক দিনব্যাপী এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন।   

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব এবং স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এ্যানহেন্সমেন্ট প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক মোঃ ইমরান।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল হালিম।  

মো. আলমগীর বলেন, কারিগরি শিক্ষা ব্যতীত জাতির উন্নতি অসম্ভব, তাই সরকার কারিগরি শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আর এ জন্যেই গঠণ করা হয়েছে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।

বর্তমানে দেশে কারিগরি শিক্ষার হার প্রায় ১৪ শতাংশ। আমাদের লক্ষ্য আগামী ২০২০ সালের মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তির হার ২০% এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৪০% এ উন্নিত করা।

সরকারের এই লক্ষ্য পূরনে সবাইকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার জন্য তিনি আহবক্ষান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস বলেন কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নের জন্যই কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। সকলকে তিনি কারিগরি শিক্ষার অগ্রযাত্রায় নিবেদিত প্রাণ সৈনিকের মতো সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করার আহবক্ষান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঝঞঊচ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব মোঃ ইমরান বলেন দেশে বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড চলছে। চলমান এই ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগাতে হলে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণের বিকল্প নেই। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগিয়ে দেশকে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মৃণাল কান্তি দেব, স্টেপ প্রকল্পের, উপ-প্রকল্প পরিচালক আবুল বাসার সিদ্দিক আকন, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সৈয়দ মো: আমিনুর রহমান।
 
দেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এবং টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের প্রায় দেড়শত অধ্যক্ষ ও শিক্ষক এ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত