হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

১৯ এপ্রিল, ২০১৯ ১৬:৩০

হবিগঞ্জে নদী দখল ও দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

হবিগঞ্জের পুরাতন খোয়াই নদী দখলমুক্ত, সুতাং নদী দূষণমুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে গ্রীন ভয়েস, হবিগঞ্জ।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) এম সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে মানববন্ধন করা হয়।

বাপা হবিগঞ্জ শাখার সভাপতি অধ্যাপক মো. ইকরামুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নদী দখলের মাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। একসময় গরীব মানুষ নদীর পাড় দখল করে বসবাস করলেও এখন তাদের সাথে সমাজের উচ্চবিত্ত, শিক্ষিত শ্রেণীর মানুষজনও সামিল হয়েছেন। যার প্রমাণ শহরের ভিতরে অবস্থিত পুরাতন খোয়াই নদী। যে যার মত নদী দখল করছেন। যার ফলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে এবং একটু বৃষ্টি হলেই শহরের বেশিরভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

মো. ইকরামুল ওয়াদুদ বলেন, বর্তমানে পুরাতন খোয়াইয়ের দুই তীরে ও নদীর বুকে অবৈধ দখলের মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীর তীরে নিত্য নতুন স্থাপনা ও সীমানা দেয়াল নির্মাণের চিত্র আমাদের নজরে পড়ছে। অতিসত্ত¡র পুরাতন খোয়াইয়ের  পূর্ণাঙ্গ সীমানা নির্ধারণ ও অবৈধ স্থাপনা অপসারন করা হোক। এছাড়া নদীটি খনন ও এর উভয় পাড়ে ওয়াক ওয়ে নির্মাণ করা হোক।

তোফাজ্জল সোহেল বলেন, সরকার সারাদেশে নদী রক্ষায় আন্তরিক। তার প্রতিফলন খোয়াই নদীর পাড়ে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। পুরাতন খোয়াই নদীর অধিকাংশ অংশ দখল হয়ে আছে। হবিগঞ্জ শহরের জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষায় এই অংশে দ্রæত উচ্ছেদ অভিযান চালানো দরকার। এছাড়াও সুতাং নদী কল কারখানার বর্জ্যে দূষিত হয়ে চরম আকার ধারণ করেছে। এলাকার চাষাবাদ ক্ষতিগ্রস্থ, নদী মাছশূণ্য হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোকে বারবার অবহিত করার পর সুতাং নদীতে কল কারখানার দূষণরোধে কোন ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না।

সৈয়দ সাইফুল আলম বলেন, সোনাই নদীতে দেশের প্রচলিত সকল আইনকে অবজ্ঞা করে দখলদাররা বিশাল অট্টালিকা গড়ে তুলেছে। সরকারের চলমান উচ্ছেদ অভিযানের সোনাই নদীর বুকের সকল অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করতে হবে।

আরো বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, তাহমিনা বেগম গিনি, শেখ সুলতান মো কাউছার, মহিবুর রহমান রুবেল, সুলতান মাহমুদ ফরহাদ, মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. তানিম চৌধুরী, শাহ রাসেল, মো. শরিফ উদ্দিন প্রমুখ। মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন হবিগঞ্জ শাখা গ্রীণ ভয়েস এর সমন্বয়কারী মো. আমিনুল ইসলাম।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত