০৭ মে, ২০১৯ ০০:২৬
গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এবছর ৩৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৩ হাজার ৯শত ৪০জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, ২ হাজার ৫শ’ ৪৪জন পাশ করেছে। পাশের হার ৬৪.৫৭%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৬ জন। ২০১৮সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৪৯জন এবং পাশের হার ছিল ৭০.৮১%।
উপজেলার মাধ্যমিক অফিস সূত্রে জানা যায়, ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে ৫৬জন। প্রতিষ্ঠান গুলো মধ্যে গোলাপগঞ্জ এমসি একাডেমী মডেল স্কুল ও কলেজ থেকে ৩শত ১১ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে, পাশ করেছে ২শত ৫জন। পাশের হার ৬৫.৯২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে-১০জন শিক্ষার্থী। ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২শত ৯৬জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে, পাশ করেছে ২শত ৭১জন। পাশের হার ৯১.৫৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২জন।
আত্হারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১শত ৬০জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে, পাশ করেছে ১শত ১৩জন। পাশের হার ৭০.৬২%।
ঢাকাদক্ষিণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২শত ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে, পাশ করেছে ১শত ৬৯জন। পাশের হার ৭২.২২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩জন। ঢাকাদক্ষিণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৬১জন। পাশের হার ৬৮.৫৪%।
তাঁরা মিয়া খান ইন্টারন্যাশনাল একাডেমী থেকে ৪৮জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে, পাশ করেছে ৩৯জন। পাশের হার ৮১.২৫%। গোলাপগঞ্জ জামেয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৬১জন। পাশের হার ৭২.৬২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪জন।
সলিমা খানম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৯৭জন। পাশের হার ৮০.১৭%। এলবি গ্রীণ ফ্লাওয়ার একাডেমী থেকে ৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৬৭জন। পাশের হার ৯৫.৭১%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬জন। রণকেলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১০১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ২৭জন। পাশের হার ২৭.৭৩%। রানাপিং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৮৯জন। পাশের হার ৪৮.৬৩%। শাহজালাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৩১জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৬৭জন। পাশের হার ৫১.১৫%। মীরগঞ্জ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ১২৮জন। পাশের হার ৮২.০৫%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮জন। ব্রিটিশ আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল হাই স্কুলে ২১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ১৯জন। পাশের হার ৯০.৪৮%। কালীকৃষ্ণ পুর এসই,এস,ডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে থেকে ৪৫জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ২৪জন। পাশের হার ৫৩.৩৩%।
হাজীপুর আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে থেকে ৪৭জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ২১জন। পাশের হার ৪৫.৬৫%। মছলম উদ্দিন খান একাডেমী থেকে ৪০জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ২৮জন। পাশের হার ৭০%।
ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১৮৭জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৬৪জন। পাশের হার ৩৪.২২%।
বরায়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০৮জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৪৯জন। পাশের হার ৪৫.৩৭%। হাজী আব্দুল আহাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২৯৭জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ১৫৭জন। পাশের হার ৫২.৮৬%।
পনাইর চক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২৫জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ১১৫জন। পাশের হার ৯২%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন।
ফুলসাইন্দ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৫২জন। পাশের হার ৬১.৯৩%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। ফুলসাইন্দ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৫২জন। পাশের হার ৬১.৯৩%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন।
লক্ষণাবন্দ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৪২জন। পাশের হার ৫২.৫০%। শাহজালাল একাডেমী থেকে ৬৩জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৪৩জন। পাশের হার ৬৮.২৫%।
মুরাদিয়া ছুবুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৩১জন। পাশের হার ৩৯.৭৪%। কালীকৃষ্ণপুর এসই উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৪৮জন। পাশের হার ৬২.৩৪%।
বিএনকে উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৩১জন। পাশের হার ৫২.৫৪%। বাণীগ্রাম বহরগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫০জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৪৬জন। পাশের হার ৯২%।
সালাম মকবুল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৮জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৭৭জন। পাশের হার ৮৫.৫৬%। আল এমদাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ১২১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৯৫জন। পাশের হার ৭৮.৫১%। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পূ্র্ব রেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৪০জন। পাশের হার ৪৮.১৯%। মফজ্জিল আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫৬জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ৭৭জন। পাশের হার ৪৯.৩৬%। সৈয়দা আদিবা হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, পাশ করেছে ২৮জন। পাশের হার ৪১.১৮%।
গোলাপগঞ্জে এবারের দাখিল পরীক্ষায় পাশের হার ৮৫.২৩%। জিপিএ-৫ একজনও পায়নি। মোট ৮শত ৩৩জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে, পাশ করেছে ৭শত ১০জন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অভিজিৎ কুমার পাল বলেন, পাশের হার কমলে জিপিএ--৫ বেড়েছে। আগামীতে রিজাল্ট আরো ভাল হবে বলেও জানান তিন।
আপনার মন্তব্য